ওয়েব ডেস্ক: রবিবার কাবুল দখলের পর তালিবানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানে পূর্ণ সময়ের সরকার গঠন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু এই তালিবান সরকারের সঙ্গে আগামী দিনে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণ কি হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কিন্তু তালিবানের দাবি, ভারত চাইলে আগের মতোই দু’দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভব।
সেনা পাঠালে ফল ভাল হবে না বলে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়ে ছিল তালেবানরা। এ বার সরাসরি বন্ধুত্বের বার্তা পাঠাল তালিবান মুখপাত্র শাহীন সুহেল। পূর্বতন আশরফ গনি সরকারের সঙ্গে ভারতের যে সুসম্পর্ক ছিল, তালিবানের সঙ্গেও তেমন সুসম্পর্ক বজায় রাখলে ভারত এবং আফগানিস্তান, দুই দেশের পক্ষেই তা মঙ্গলজনক বলে জানিয়ে দিলেন তিনি।
সোমবার সিএনএন-নিউজ-১৮ চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুহেল বলেন, ‘‘আশা করি ভারতও অবস্থান পালটাবে। এত দিন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া যে সরকার চলছিল আফগানিস্তানে, তাদের সমর্থন জানিয়েছিল ভারত। আগামী দিন সেই সমীকরণ বজায় থাকলে ভারত এবং আফগানিস্তান, দু’দেশের পক্ষেই তা মঙ্গলজনক।’’
মাতঙ্গিনী হাজরা অসমের! বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করতে গিয়ে বিতর্কে মোদী
কিন্তু এই তালিবানের সঙ্গে আগের তালিবানের কোনও মিল নেই বলে দাবি করেছেন সুহেল। তাঁর যুক্তি, ‘‘আগে সরকার চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল না আমাদের। কিন্তু গত ২০-২৫ বছর ধরে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছি আমরা। জেনেছি কি ভাবে সরকার চালাতে হয়, কি ভাবে অন্য দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়। আফগানিস্তানের পুনর্নির্মাণ চাই আমরা। জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে চাই। অন্যদের সহযোগিতা ছাড়া তা অসম্ভব।’’
ভারতে এখন দেশিও প্রযুক্তিতে তৈরি “স্মার্ট” টর্পেডো, সাবমেরিন বিরোধী যুদ্ধে ‘গেম চেঞ্জার’
গত ২৪ ঘণ্টায় কাবুলের যে পরিস্থিতি, তা এখন নিয়ন্ত্রণে বলেও জানান সুহেল। তাঁর দাবি, তালিবান এবং আশরফ গনির মধ্যে যখন বোঝাপড়া চলছে, তখনই আফগান সেনা কাবুল খালি করে দেয়। কিন্তু উপরমহল থেকে নির্দেশ থাকায় তালিবান যোদ্ধারা কাবুলে প্রবেশ করতে পারেননি। সেই সুযোগে অসৎ লোকেরা ব্যাপক লুঠতরাজ চালায়। এমনকি গুলিও চলে। তবে তালিবান ঢোকার পর পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।