পুরভোটে জোট না কি একলা চল নিতি, আলোচনা শুরু বামেদের

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: বিগত ভোট গুলিতে আমরা বাম কংগ্রেস জোট কে দেখেছি। কিন্তু শেষ চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের বামেদের অপেক্ষাকৃত ভাল ফল করায় ফের বাম কংগ্রেস জোট কে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছি। উল্লেখ যোগ্য ভাবে বলা যায় শান্তিপুর কেন্দ্রের ফলাফল কে। সেখানে বামেদের একক ভাবে লরাই করে মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ভোট বেড়েছে তিরিশ হাজারের কাছে। অন্যান্য কেন্দ্র গুলিতেও বামেদের ভোট বেড়েছে।

Cpm may be going alone in municipal elections

তাই বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিরোধিতার মূল রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথা মনে করিয়ে দিয়েই সিপিএমের রাজ্য নেতৃত্ব অবশ্য পুরভোটে জোটের প্রশ্নে জেলা নেতৃত্বের মতকে গুরুত্ব দিতে চাইছেন। জেলায় জেলায় বামফ্রন্ট আলোচনা করে নিজেরা কোথায় লড়াই করতে চায়, সেই সব ওয়ার্ড চিহ্নিত করবে। রাজ্য বামফ্রন্টের বৈঠক ডাকা হয়েছে ১৫ নভেম্বর। কংগ্রেসও পুরভোটে জোটের ব্যাপারে জেলা নেতৃত্বের মত চেয়েছে।

মঙ্গলবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের মুল বিষয় ছিল সম্মেলন প্রক্রিয়া। সেখানে শাখা ও এরিয়া কমিটির সম্মেলন কেমন হচ্ছে, তার রিপোর্ট দিতে গিয়েই বেশ কিছু জেলার প্রতিনিধিরা কংগ্রেস এবং আইএসএফের সঙ্গে জোটের প্রসঙ্গ এনেছেন। দলীয় সূত্রের খবর, জোট করে বামেদের যে বিশেষ লাভ হয়নি, এই তথ্য সামনে এনে নিচু তলার সম্মেলনে সমালোচনার সুর শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কিছু জেলার নেতারা।

তাঁদের যুক্তি, ২০১৬ সালে প্রথম আসন সমঝোতা হওয়ার পরে লাভবান হয়েছিল কংগ্রেস। বহু ক্ষেত্রে বামেদের ভোট কংগ্রেসে গেলেও উল্টোটা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরে আবার জোট করে লড়ে বাম ও কংগ্রেস, উভয় পক্ষেরই ভরাডুবি হয়েছে। এই সূত্রেই শান্তিপুরে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের প্রসঙ্গ এনেছেন কেউ কেউ। ওই কেন্দ্রে ৬ মাস আগের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় বামেদের ভোট অনেকটা বেড়েছে জোট ছাড়াই।

শান্তিপুর উপনির্বাচনে প্রচারে এসে বাম নেতৃ মীনাক্ষীর নিশানায় মমতা

জবাবি ভাষণে রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র অবশ্য মনে করিয়ে দিয়েছেন, পার্টি কংগ্রেসের আগে এখন আচমকা দলের লাইন পরিবর্তন হচ্ছে না। বিজেপি ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ সব ধরনের শক্তিকে একজোট করার রাজনৈতিক লক্ষ্য থেকে দলের সরে আসার প্রশ্ন নেই। তবে পুরভোটের মতো নির্বাচনে স্থানীয় পরিস্থিতির উপরে অনেক সমীকরণ নির্ভর করে।

নাগরিক সমিতি বা নানা ধরনের মঞ্চের নামেও পুরভোটে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লড়াই হয়। দলের মূল রাজনৈতিক লক্ষ্য অক্ষুণ্ণ রেখে কোথায় জোট করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, কোথায় হবে না, তা জেলা নেতৃত্বকে ভেবে দেখার কথা বলেছেন সূর্যবাবু। দলীয় সূত্রের ব্যাখ্যা, স্থানীয় স্তরেও বিজেপি বা তৃণমূলের সঙ্গে সমঝোতার যে প্রশ্ন নেই, তা মনে রেখেই ভোটের কৌশল ঠিক করতে বলা হয়েছে আলিমুদ্দিনের তরফে।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
TAGGED:
Share This Article