দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে এলো শুধু নাক ঢাকা আজব মাস্ক, সরগরম নেটদুনিয়া

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: মাস্ক এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। গত দু’বছর ধরে মাস্কের ব্যবহার বিপুল পরিমাণে বেড়েছে। অতিমারীকে রুখতে এখন মাস্কই প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই দু’বছরে মাস্কের রকমফেরও তাক লাগিয়েছে। N95, সার্জিক্যাল, কাপড়ের মাস্ক ছাড়াও আরও নানান রকমের মাস্ক মার্কেটে ঘোরাফেরা করছে।

South korean mask kosk only cover nose

মাস্ক বলতে আমরা নাক-মুখ ঢেকে রাখা মাস্কই বুঝি। সাধারণ মাস্ক পরে থাকা অবস্থায় খাওয়াদাওয়া করা যায় না, খাওয়ার সময়ে সেটি খুলে রাখতে হয়। কিন্তু এই মাস্ক পরে থাকলেও দিব্যি খাওয়াদাওয়া করা যাবে। কোনও অসুবিধাই হবে না। তবে কেবলই কি খাওয়া দাওয়া? ঠোঁটে নির্ঝঞ্ঝাটে লিপস্টিকও লাগাতে পারবেন সুন্দরীরা।

কি এই ‘কোস্ক’ মাস্ক?

অভিনব এই মাস্কটি কেবল নাকটুকুই ঢেকে রাখে। দক্ষিণ কোরিয়ার অ্যাটম্যান নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছে এই অদ্ভুত মাস্কটি। কোরিয়ান ভাষায় ‘কো’ মানে নাক। ‘কো’ আর ‘মাস্ক’ মিলে হয়েছে ‘কোস্ক’।

অন্য মাস্ক পরলে খাওয়াদাওয়া করা যায় না। এই মাস্ক পরে থাকলে দিব্যি খাওয়াদাওয়া করা যাবে। নাকের অংশটি ঢাকা থাকলেও মুখ খোলা থাকে। কিছু খাওয়ার সময় কোস্ক ভাঁজ করে শুধুমাত্র নাক ঢেকে রাখতে পারবেন আপনি। এর ভিতরে একটি অংশ রয়েছে, যেটি ভাঁজ করে রাখা থাকে। দরকার হলে সেটি খুলে নিয়ে মুখও ঢেকে রাখা যায়।

৩০ এর পরেই বয়সের ছাপ পড়ছে ত্বকে? জেনে নিন এর কারণ এবং প্রতিরোধের উপায়

অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে ‘কোস্ক’

একাধিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিলছে এই কোস্ক। এটিকে বলা হচ্ছে KF80 মাস্ক। এখানে KF বলতে ‘কোরিয়ান ফিল্টার’। দাবি করা হচ্ছে যে, ০.৩ মাইক্রন পর্যন্ত খুদে জীবাণুদেরও ৮০ শতাংশ পর্যন্ত রুখতে সক্ষম এই মাস্ক। এ

এই অদ্ভুত মাস্ক নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কেউ এই মাস্কের নকশা এবং ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আবার কেউ কেউ কোভিড থেকে বাঁচাতে কোস্ক কতটা কার্যকরী তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকে আবার এটাও মনে করছেন, সত্যিকারের কোনও কাজে লাগবে না এটি, বরং মজা করেই বানানো হয়েছে মাস্কটি।

এবার থেকে রূপচর্চায় কাজে লাগান কলার খোসা, দাগ-ছোপ ও ব্রণের সমস্যা নিমেষেই দূর হবে!

অনেকের মতে, এই মাস্কে যেহেতু মুখ খোলা থাকে তাই সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। সুতরাং এমন মাস্ক পরা আর না পরার মধ্যে কোনও তফাত নেই। আবার অনেকে বলছেন, এটি দরকার মতো খুলে মুখও ঢেকে রাখা যায়। আর খাবার খাওয়ার সময়ে তো নাকটুকু ঢাকা থাকছেই। ফলে দু’টো কাজই একসঙ্গে হয়। কিছুটা হলেও অতিরিক্ত সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে এই মাস্তেক, যা অন্য মাস্কে পাওয়া যায় না।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article