994
কলকাতা। মুর্শিদাবাদ ও কেরল থেকে গ্রেফতের ৯ আলকাইদা জঙ্গি। উদ্ধার প্রচুর বিস্ফোরক, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, নথি।ধৃতদের সঙ্গে পাক Al-Qaeda যোগ। এদের প্রত্যেকের বয়স ২০ বছরের নীচে ও এরা সবাই শ্রমিকের কাজ করে বলে জানা গিয়েছে।

কেরল থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল মুর্শিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোশারফ হোসেন। কেরল পুলিশ জানিয়েছে এনারকুলম থেকে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারাও বাংলার বাসিন্দা, পেরুমাভুর এলাকায় থাকে তারা।
এছাড়া মুর্শিদাবাদ থেকে ধৃত ৬ জনের নাম- নাজমুস সাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মণ্ডল, লিউ ইয়ান আহমেদ, আল মামুন কমল, আতিউর রহমান।
এনআইএ সূত্রে খবর, আজ সকালে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে ওই ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। কেরলের এর্নাকুলাম থেকেও ৩ জন সন্দেহভাজন Al-Qaeda জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ধৃতদের সঙ্গে পাকিস্তানের Al-Qaeda মডিউলের যোগ রয়েছে। ওই জঙ্গিদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক ছিল বলে এনআইএ সূত্রে দাবি। ধৃতদের থেকে জেহাদি নথি, অস্ত্র ও বিস্ফোরক বানানোর নথি উদ্ধার হয়েছে।
সোশাল মিডিয়ায় যোগাযোগ ছিল ধৃতদের।দিল্লিতে অস্ত্র মজুতের চেষ্টা করেছিল তারা।একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নাশকতার ছকও কষেছিল।অস্ত্র সংগ্রহে শ্রীনগরে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল।পাকিস্তান থেকে আসার কথা ছিল অস্ত্র।পাক মাটি থেকেই নাশকতার ছক কষছিল Al-Qaeda।সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে আরও জঙ্গি নিয়োগের চেষ্টা চালাচ্ছিল ধৃতরা, দাবি এনআইএ-র। পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের নির্দেশে তারা কাশ্মীরে জঙ্গিদের অস্ত্র সাপ্লাই দিতে যেত। এদের সঙ্গে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সরাসরি যোগাযোগ আছে বলে জানা গিয়েছে।
এক বিবৃতিতে এনআইএ জানিয়েছে, কেরল ও পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে Al-Qaedaর আন্তঃরাজ্য মডিউলের কথা জানতে পারে এনআইএ।এই গোষ্ঠী লোকজনকে হত্যা করতে ও সন্ত্রাস ছড়াতে ভারতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে হামলার ছক কষছিল।
এনআইএ-র মুখপাত্র ডিআইজি সোনিয়া নারাং জানিয়েছেন, এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল ও অস্ত্র ও বারুদ সংগ্রহ করার কথাও ছিল। এই ৯ জনকে গ্রেফতারের ফলে দেশে বড়সড় হামলা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।