ওয়েব ডেস্ক: গোটা রাজ্যে তৃণমূল সরকারের দ্বিতীয় দফায় ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্প চলছে। মানুষ আসছে ১৮ টি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে। এরই মধ্যে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখল দুবরাজপুরে মানুষ। কি সেই দৃশ্য পুর এলাকার বিভিন্ন শিবিরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের আবেদন পত্র পূরণ করা থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করছেন সিপিএম নেতা-কর্মীরা।
ডিসেম্বরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রথম দফার দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হতেই ‘যমের দুয়ার’ বলে কটাক্ষ করে ছিল বাম-বিজেপি। ভোটের পরে সেই সিপিএমের এই ‘ভোলবদল’কে অবশ্য স্বাগতই জানিয়েছে তৃণমূল। দুবরাজপুরের তৃণমূলের শহর সভাপতি মানিক মুখোপাধ্যায় বলছেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মানুষের স্বার্থে কাজ করছেন, নীতিগত বিরোধিতা থাকলেও বামেরা যে সেটা বুঝেছে সেটা সাধারণ মানুষকে সাহায্য করা থেকেই পরিষ্কার। ওঁদের স্বাগত।’’
ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়াই কংগ্রেস কে খোঁচা বিকাশের
মোট ১৮টি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে আসছেন বহু মানুষ। আবেদনপত্র পূরণ করার ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে অনেককেই। তাঁদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনের লোকজন আছেন। আছে বামেরাও। ১৬ তারিখে শিবির শুরুর দিন দুবরাজপুরের ১ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য আয়োজিত শিবিরে মানুষের সাহায্যে থাকতে দেখা গিয়েছিল সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য শীতল বাউরিকে। গত শনিবার একই জায়গায় আয়োজিত শিবিরেও থেকে সাহায্য করতে দেখা গেল তাঁকে।
দেশের মধ্যে একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারই বিনামূল্যে রেশন দেয়, বললেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ
তবে শুধু শীতলই নন বিভিন্ন শিবিরে পালা করে উপস্থিত থাকলেন এরিয়া কমিটির সদস্য পল্টু বাগদি, আচল বাউড়ি, উত্তম মিশ্র, সাদের আলমদের মতো নেতা কর্মীরা। ভোটের আগে কটাক্ষ, ব্যঙ্গ করলেও এখন এই বোধোদয় কেন? শীতল বলছেন, ‘‘এই প্রকল্প কতটা মানুষের কাজে আসবে, কতদিন চলবে সেটা আলাদা প্রশ্ন, কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে প্রকল্পগুলিকে জনমুখী সরকারি প্রকল্প বলেই মনে হয়েছে। তাই কোনও মানুষ যাতে এই সুবিধে থেকে বঞ্চিত না হন সেই দায়বোধ থেকে আমরা সাধারণের পাশে দাঁড়িয়েছি।’’