988
কলকাতা, দুর্গাপূজা(DURGA PUJA 2020) নিয়া জনস্বার্থ মামলাই আজ ঐতিহাসিক রায় দান করল আজ কলকাতা হাইকোর্ট(KOLKATA HIGH COURT)। প্রতিটি পুজো মণ্ডপ এইবার কন্টেইনমেন্ট জোন বলে গণ্য করা হবে। মণ্ডপে কোনও দর্শনার্থীরা ঢুকতে পারবেন না। রাজ্যের সব পুজোর জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই জানিয়েছে আদালত। তবে প্রতিটি মণ্ডপে বাফার জোন রাখতে হবে।

বড় মণ্ডপের থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত ব্যারিকেড করে বাফার জোন রাখতে হবে। আর ছোট মণ্ডপ গুলির ক্ষেত্রে ৫ মিটার পর্যন্ত ব্যারিকেড করে বাফার জোন ঘোষণা করতে হবে। আয়োজকগণ সহ কেবল ২৫ জনকে প্যান্ডেলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হইএছে। এছারাও ১৫ থেকে ২৫ জন সদস্য জারা পূজা পরিচালনা করবে তাদের নাম প্রশাসনের কাছে জমা দিতে হবে এবং তার প্রতিলিপি মণ্ডপ এর বাইরে টাঙ্গাতে হবে। মন্দপ এর প্রতিমা দরসনের জন্য ভারছুয়াল বাবস্থা করা জেতে পারে।
কলকাতা হাইকোর্ট(KOLKATA HIGH COURT) রাজ্য সরকারের(WEST BENGAL GOVT) নোটিফিকেশন বহাল রেখেছে, রাজ্যের দুর্গাপূজার জন্য প্রতিটি সাংগঠনিক কমিটির জন্য ৫০,০০০ টাকা দিয়েছিল। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে ৭৫ শতাংশ তহবিল পূজা প্যান্ডেলগুলির আশেপাশে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ইত্যাদি সংগ্রহের জন্য ব্যবহার করা উচিত। বাকি (২৫ শতাংশ) “প্রগ্রেমারদের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত যা পুলিশ কর্তৃপক্ষ এবং নাগরিকদের মধ্যে বন্ধনকে জোরদার করে …”
আদালত আরও স্পষ্ট জানিয়েছে যে এই সরকারী তহবিলগুলি “পূজা কার্যক্রম পরিচালনা বা কোনও বাদ্যযন্ত্রের জন্য বা বিনোদনের জন্য সম্পদ ব্যবহার করা যাবে না …” আদালত আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সেই অর্থ খরচের তালিকা নিরীক্ষণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।
বিচারপতি সঞ্জীব ব্যানার্জি এবং বিচারপতি অরিজিৎ ব্যানার্জির বেঞ্চ এই অর্থ বরাদ্দ নিয়া সরকারের(WEST BENGAL GOVT) সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি আবেদনের শুনানি চলাকালীন এই নির্দেশনা দিয়েছে। কলকাতার 3,০০০ সহ রাজ্যের দুর্গাপূজার ৩৪,০০০ আয়োজকদের সরকারি অনুদান দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : সরকারী অর্থ নিয়ে বিনোদন নয়: হাইকোর্ট
৯ ই অক্টোবর, সেন্ট্রাল অফ ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়ন (CITU) নেতা সৌরভ দত্ত সরকারের সিদ্ধান্তকে হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন। আবেদনকারীর পক্ষে দাবি করা হয়েছিল যে অনুদানের বিধানটি বাজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল না এবং সংবিধানের ২৮২ অনুচ্ছেদে এটি অনুদান হিসাবে দেখা উচিত।