মাছের তেল কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর? জানুন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

by Chhanda Basak

ওয়েব ডেস্ক: বড় মাছের তেল স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। সেই ভয়ে পছন্দ থাকলেও এটা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে অনেকে। কিন্তু সত্যিই কি মাছের তেল স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর? অনেকেই মনে করেন মাছের সাদা অংশ আর মাথাটাই পষ্টি যোগায়। তেল খাওয়া উচিত নয়।

মাছের তেল কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর? জানুন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাছের মতোই তার তেল সমান পুষ্টিকর। Protein, omega 3 fatty acid, প্রচুর ভিটামিন(এ, ডি), আয়োডিন ছাড়াও Antioxidant রয়েছে মাছের তেলে। যা আমাদের শরীরে অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি। পাশাপাশি মাছের ৭০ শতাংশ জুড়ে রয়েছে অন্যান্য ফ্যাট। মাছের তেল হার্টের জন্য একেবারে যথার্থ পুষ্টি যোগায়। যারা নিয়মিত মাছ খান তাদের মধ্যে হার্টের সমস্যা খুবই কম। মাছ খেলে হার্টের অনেক রোগ দূর হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শরীরের জন্য এবং হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী মাছের ভালো cholesterol বা এলডিএল। তবে তাঁর নির্দিষ্ট পরিমাণ রয়েছে।

১৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমাতে পারে ট্রাইগ্রিসারাইডস-এর মাত্রা। রক্তচাপের সমস্যা কমাতে পারে। ধমনিতে ক্রমশ চর্বি জমলে রক্তবাহী নালি অনমনীয় হয়ে পরে। এরপর রক্তের অণুচক্রিকা ভেঙে গিয়ে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। নিয়মিত মাছের তেল খেলে ধমনিতে ক্রমশ জমতে থাকা চর্বির সমস্যা কমতে থাকে। রক্তকে জমাট বাঁধতেও বাধা দেয়। মস্তিষ্কের কাজকর্ম সঠিকভাবে চালাতে সাহায্য করে মাছের তেল। যার নেপথ্যে রয়েছে ওমেগা থ্রি অ্যাসিড। এর জন্য চোখের স্বাস্থ্যও ভালো হবে। দৃষ্টিশক্তিও উন্নত হবে।

পেটের ব্যথাই ভুগছেন, Appendicitis এর ব্যথা নয়তো, বিস্তারিত যেনে নিন

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় প্রমাণিত, শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিএইচএ চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে। ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুরা পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ এবং ডিএইচএ গ্রহণ করলে পরবর্তী জীবনে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও মেধার পরিচয় দেয়। ছোট-বড় উভয় মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যান্সার, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ, আর্থ্রাইটিস রোধে সাহায্য করে, পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখে।

ব্রণর সমস্যাই ভুগছেন, দ্রুত সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে যেনে নিন মুলতানি মাটির ঘরোয়া টোটকা

মাছের তেলে রয়েছে এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। ছোট কাঁটাযুক্ত মাছকে ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাছে আমিষ ও ওমেগা-৩ চর্বির পাশাপাশি রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস, যা দাঁত, পেশি ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Copyright © 2025 NEWS24-BENGALI.COM | All Rights Reserved.

google-news