ওয়েব ডেস্ক: উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হলেন মামলাকারীরা। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেছেন তাঁরা। মামলাকারীদের দাবি, অভিযোগ সত্ত্বেও তাঁর নিষ্পত্তি না করেই চলছে নিয়োগ। মামলাকারীদের দাবি, মামলাকারীদের হলফনামা গ্রহণ না করেই মামলার রায় দিয়েছেন বিচারক। চলতি সপ্তাহেই মামলাটির শুনানি হতে পারে।
এদিন মামলাকারী রাজীব ব্রহ্মের আইনজীবী বলেন, গত বৃহস্পতিবার উচ্চ প্রাথমিকের নতুন ইন্টার্ভিউ লিস্ট প্রকাশিত হয়। তা খতিয়ে দেখে একাধিক বেনিয়ম চোখে পড়ে। সে সবের উল্লেখ করে আদালতে অতিরিক্ত হলফনামা দেওয়া হয় মামলাকারীর তরফে। কিন্তু শুক্রবার মামলার শুনানিতে সেই হলফনামা গ্রহণ না করেই রায় শোনান বিচারক অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, ইন্টার্ভিউয়ের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি বলেন, পাঁচ বছর ধরে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। আমি চাই না নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অযথা বিলম্ব হোক। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে তিনি কমিশনকে দ্রুত নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, ২০১৬ সালে যারা আবেদন করেছিলেন, তাঁদের অনেকের বয়স-সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। তাঁদের পাঁচ বছর ছাড় দেওয়া হোক। আর তালিকায় যদি ভুল থাকে, তবে দু-সপ্তাহের মধ্যে কমিশনকে জানাতে পারবেন প্রার্থীরা। কমিশনকে আট সপ্তাহের মধ্যে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে।
ভাড়াবৃদ্ধি-সহ একাধিক দাবিতে কলকাতায় ট্যাক্সি ও অ্যাপ ক্যাব ধর্মঘট
৮ জুলাই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশমতো উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের নানা ক্ষেত্রে প্রাপ্ত নম্বর-সহ ইন্টার্ভিউয়ের মেধাতালিকা প্রকাশ করে School Service Commission। কমিশনের ওয়েবসাইট www.westbengalssc.com-এ ১ লক্ষ ৩২ হাজার প্রার্থীর নম্বর প্রকাশ করা হয়। এই প্যানেল থেকে নিয়ে ১৪ হাজারেরও বেশি চাকরি প্রার্থীকে নিয়োগ করার কথা রয়েছে।
ওই তালিকা দেখে খুশি নন আবেদনকারীরা। বিক্ষোভকারীদের দাবি, যোগ্যতার প্রামাণ্য নথি আপলোড করা সত্ত্বেও অনেকের ক্ষেত্রে তা দেখানো হয়নি। অ্যাকাডেমিক স্কোরেও গরমিল রয়েছে বলে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ। আগামী সপ্তাহে ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।