AQI বৃদ্ধির ফলে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়? জানুন

3 Min Read
AQI বৃদ্ধির ফলে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়? জানুন
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

যখন AQI (বায়ু মানের সূচক) ৩০০ এর উপরে পৌঁছায়, তখন এটি সকলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তবে, এটি শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী মহিলা এবং হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। শিশুদের ফুসফুস সম্পূর্ণরূপে বিকশিত হয় না, তাও তারা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি দূষণে শ্বাস নেয়। হাঁপানি, COPD, বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কাশি, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং ক্লান্তির মতো লক্ষণগুলি বৃদ্ধি পায়।

বায়ু বিপজ্জনক স্তরে থাকলে কি করবেন?

দিল্লির আকাশ হেলথকেয়ার হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ আকাশ চৌধুরী সকাল বা সন্ধ্যায় বাইরের ব্যায়াম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন, কারণ এই সময়গুলিতে দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে। বাইরে বের হওয়ার সময় সর্বদা N95 বা N99 মাস্ক পরুন এবং যানজট বা জনবহুল এলাকায় দীর্ঘ সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন না। বাড়ি ফিরে আসার পর, আপনার মুখ এবং হাত ভালো করে ধুয়ে নিন এবং শরীরকে বিষমুক্ত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন। আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার, যেমন লেবু, কমলা, পেয়ারা, টমেটো এবং সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলি শরীরকে দূষণের প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

ঘরের ভেতরে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?

অনেকেই বিশ্বাস করেন যে ঘরের ভেতরে দূষণের কোনও প্রভাব নেই, তবে ঘরের ভেতরে বায়ু দূষণও ততটাই বিপজ্জনক। বাতাস পরিষ্কার রাখতে অ্যালোভেরা এবং মানি প্ল্যান্টের মতো গাছ লাগান। মোমবাতি, ধূপ বা আগরবাতির অতিরিক্ত ব্যবহার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলোও বাতাসে ক্ষতিকারক কণা নির্গত করে। শুধুমাত্র দিনের বেলায় জানালা খুলুন যখন বাইরের বাতাস কিছুটা পরিষ্কার থাকে। এছাড়াও, নিয়মিত এসি এবং ফ্যানের ফিল্টার পরিষ্কার করুন এবং ঘরে ধুলো জমতে দেবেন না ।

আরও পড়ুন : সানস্ক্রিনে SPF ছাড়া আর কী কী দেখতে হবে, জানুন

হৃদরোগ, ফুসফুস বা ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের কি বিবেচনা করা উচিত?

হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস বা সিওপিডি রোগীদের নিয়মিত তাদের ইনহেলার এবং ওষুধ খাওয়া উচিত এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়। বাইরে যাওয়ার আগে AQI পরীক্ষা করুন এবং যদি স্তর খুব খারাপ হয়, তাহলে ঘরেই থাকুন। বাইরে বেরোনোর সময়, আপনার নাক এবং মুখ ঢেকে রাখুন যাতে দূষণকারী পদার্থ সরাসরি আপনার ফুসফুসে প্রবেশ করতে না পারে। আপনার শ্বাসনালী পরিষ্কার রাখতে দিনে একবার বা দুবার বাষ্প নিন বা গার্গল করুন। দূষণের কারণে শুষ্কতা এবং জ্বালা প্রতিরোধ করার জন্য ত্বকের রোগীদের প্রতিদিন ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। হৃদরোগীদের বুকে ভারী ভাব বা ক্লান্তি অনুভব করলে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

Disclaimer: এই নিবন্ধটি কেবল তথ্যবহুল এবং চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article