ওয়েব ডেস্ক : পাঞ্জাবে কংগ্রেসের বড় চমক, শিখ দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি চরণজিৎ সিং চান্নি হলেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। অমরিন্দর সিং সরকারে কারিগরি শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন চান্নি। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের পদত্যাগের পর সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যারা ফেভারিট ছিলেন, তাঁদের মধ্যে চরণজিৎ সিং চান্নির নাম ছিল না।
অমরিন্দর সিং এর পদত্যাগের পর থেকেই জল্পনা চলছিল পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়ে। আলোচনায় বসেন সনিয়া গান্ধি, রাহুল গান্ধিও। সন্ধেবেলা পঞ্জাবের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত ট্যুইট করে চান্নির নাম মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন। দলে রাহুল ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিচিত চান্নি। এর আগে পঞ্জাব রাজনীতিতে হিন্দু নেতা হিসেবে পরিচিত সুনীল জাখরের নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে উঠলেও দলীয় সাংসদদের আপত্তিতে খারিজ হয় সেই নাম।
২০০০ সালে কংগ্রেসের টিকিটে পুরভোটে জিতে যাত্রা শুরু চান্নির। ২০০৭ সালে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে নির্দল দাঁড়িয়ে জেতেন। তারপর শিরোমণি অকালি দলের সমর্থন পেয়ে মনপ্রীত বাদলের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিতি পান। মনপ্রীত বাদলও ক্যাপ্টেনের মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণা হওয়ার পরই রাজ ভবনে পৌঁছেছেন চান্নি সাথে পঞ্জাবের কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোৎ সিং সিধু।
সংযুক্ত কিষান মোর্চার ডাকে ২৭ এর বন্ধে ঠিক করে দেওয়া হল আন্দোলনের নিয়মবিধি
প্রসঙ্গত, শনিবার আচমকাই পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেন ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। গত কয়েকমাস ধরে নভজ্যোৎ সিং সিধুর সঙ্গে অমরিন্দর সিংয়ের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছিল। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত শনিবার পঞ্জাবের প্রায় পঞ্চাশ জন কংগ্রেস বিধায়ক সনিয়া গান্ধিকে চিঠি দিয়ে অমরিন্দর সিংকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আর্জি জানান। এর পরই সনিয়াকে চিঠি দেন অমরিন্দরও।
উত্তরপ্রদেশে যোগীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কাকে দলের মুখ করে এগোচ্ছে কংগ্রেস
তবে বরাবরই ব্যতিক্রমী রাজনীতিবিদ চান্নি। সিস্টেমে বদল এনেছিলেন তিনি। নিজেই নিজের গাড়ি চালাতেন, ছিল না চালক। টোল ট্যাক্সও দিতেন, ভিআইপি সংস্কৃতির ধার ধারেননি। ২০১০ সালে ক্যাপ্টেনের কথায় ফের কংগ্রেসে ফেরেন চান্নি। তারপর দলের শীর্ষ নেতা সি পি জোশীর সংস্পর্শে আসেন। জোশী তখন রাজ্যের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক ছিলেন।