দু’বারে দু’ধরনের টিকার ডোজ নেওয়া ‘বিপজ্জনক’, সতর্ক করল WHO

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: Covid ভ্যাকসিন কোনটা সবচেয়ে কার্যকর, তা নিয়ে নানা রিপোর্ট রয়েছে। সংক্রমণ রুখতে দু’বার দু’রকমের টিকা অর্থাৎ মিশ্র টিকার পক্ষে সওয়াল করছেন বিজ্ঞানীরা। ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে এই ‘মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ’ লাভজনক বলে জানিয়েছিলেন একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের মতে, দু’বার দু’রকমের Vaccine Cocktail টিকা নিলে প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। জার্মানি এবং ইউরোপের একাধিক দেশে মিশ্র টিকা নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।

দু'বারে দু'ধরনের টিকার ডোজ নেওয়া 'বিপজ্জনক', সতর্ক করল who

আবার বিশেষজ্ঞদের একাংশ এই দাবিও করেছেন, দু’টি ভিন্ন টিকার ডোজ নিলে অধিক প্রতিরোধ গড়ে উঠছে। তবে আপাতত ভ্যাকসিন মিক্সিংয়ে সায় নেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার(WHO)। WHO-র প্রধান বিজ্ঞানী সৌমিয়া স্বামীনাথন জানিয়েছেন, এই বিষয়ে কোনও প্রমাণ নেই। তাই এই ট্রেন্ড বিপজ্জনক। মানুষ যদি ঠিক করে নেন, কোন ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেবেন, তাহলে তা বিপদ ডেকে আনবে বলে মত তাঁর। ভারতে বর্তমানে কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন এবং স্পুটনিক-ভি টিকা করণে ব্যবহৃত হচ্ছে।

অনলাইনে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “এটা বিপজ্জনক ট্রেন্ড। আমাদের কাছে মিক্সিং নিয়ে কোনও তথ্য ও প্রমাণ নেই। দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ডোজ যদি মানুষ নিজের পছন্দে নেয়, তাহলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে।” ভ্যাকসিন মিক্সিং নিয়ে এর আগে বেশিরভাগ গবেষণাতেই সুফল মিলেছে। দেশে AIMS প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া ও ভ্যাকসিন মিক্সিংয়ে সুফলের কথা বলেছিলেন।

‘তৃতীয় ঢেউ আসছেই! আছড়ে পড়বে খুব শীঘ্রই’, সতর্কবাণী IMA-র

এক সংবাদ মাধ্যমকে গুলেরিয়া বলেছিলেন, “বিদেশে অ্যাস্ট্রাজ়েনেকার সঙ্গে ফাইজারের মিক্সিং ডোজে সুফল মিলেছে।” প্রাথমিক সুফল থাকলেও এই বিষয়ে আরও তথ্য প্রয়োজন বলে জানান তিনি। ভ্যাকসিন মিক্সিংয়ে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য খোদ জার্মানিত চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল ২ ধরনের টিকা নিয়েছেন। কিন্তু এই প্রবণতাতেই প্রশ্ন তুলছেন সৌম্যা স্বামীনাথন। নাগরিকরা দু’টি ভিন্ন ডোজ নিতে শুরু করলে বিপদ হতে পারে বলে মত তাঁর।

LIC-র বিলগ্নিকরণের পথে আরও একধাপ এগোল কেন্দ্র

প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ Covid Vaccine-ই দুটি ডোজ বিশিষ্ট। প্রথম ডোজে শরীরে Covid-এর অনাক্রম্যতা তৈরি হয়। আর পরেরটি দেওয়া হয় বুস্টার ডোজ হিসাবে। অর্থাৎ, পরের ডোজটি প্রথম ডোজে তৈরি হওয়া করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ভারতের মতো যেসব দেশে এই মুহূর্তে করোনার দাপট লাগাম ছাড়া হয়ে গিয়েছে, অথচ হাতে পর্যাপ্ত টিকা নেই, সেইসব দেশে ভ্যাকসিনের ঘাটতি মোকাবিলায় দুটি ভিন্ন ভ্যাকসিনের মিশ্র ডোজ দেওয়ার কথা বলা হয়। দুই Vaccine-এর ডোজ মিশিয়ে দিলে কি অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি পায়? আদৌ কি কার্যকর হয় করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে? এখনও সেই তথ্য সামনে আসেনি গবেষকদের।

ভারতে এখনও ভ্যাকসিন মিক্সিংয়ের কোনও খবর প্রকাশ্যে আসেনি। তবে চিকিৎসকদের একাংশ এর পক্ষেই। অদূর ভবিষ্যতে ভারত কি এই পথে হাঁটবে? সেটাই দেখার।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article