ওয়েব ডেস্ক: দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর গোটা রাজ্যে একের পর এক ভুয়ো সরকারি আমলা থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ আধিকারিক ধরা পড়েছে। আর তারাই লালবাতি-নীল-বাতি লাগানো গাড়ির দাপাদাপি বেড়েছে রাজ্যে। যত দিন যাচ্ছে, সেই তালিকা দীর্ঘতর হচ্ছে। লাল-নীল বাতির গাড়ি নিয়ে প্রতারণার চক্র ফেঁদে বসেছিল প্রতারকেরা। ভিআইপিদের জন্য ব্যবহৃত এই ধরনের গাড়ির অপব্যবহার নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট রাজ্যের কাছে রিপোর্টও তলব করেছিল। এই পরিস্থিতির মধ্যে এবার এই লাল-নীল বাতির গাড়ির অপব্যবহার রুখতে কড়া পদক্ষেপ নীল রাজ্য সরকার।

প্রতীকী ছবি
রাজ্যের পরিবহণ দফতর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের মাত্র ১৪ জন পদাধিকার এই সুবিধা পাবেন। ভুয়ো আধিকারিকদের চিহ্নিত করতে এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভুয়ো আইপিএস ও আইএএস আধিকারিকদের খুঁজতে সুবিধা হবে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন ১৩ পদাধিকারী।
তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের নৈকট্য বাড়ার প্রভাব কি আদেও বাংলাই CPIM-Congress জোটে পরবে!
লাল-নীল বাতি ব্যবহারকারীদের তালিকায় বাকি ১৩ পদাধিকারীরা হলেন- রাজ্যের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মুখ্য-সচিব, অতিরিক্ত মুখ্য-সচিব, প্রধান সচিব, ডিভিশনাল কমিশনার, রাজ্য পুলিশরে ডিজি, ডিজি দমকল, আয়কর ও শুল্ক দফতরের কমিশনার, পুলিশর আইজি ও ডিআইজি, জেলাশাসক, পুর কমিশনার, রাজ্য মিউনিসিপাল কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, সাব ডিভিশনার অফিসার ও পুলিশ অফিসাররা। এছাড়া পুলিশ প্যাট্রিলংয়েও ব্যাবহার করা যাবে।
এবার রাজ্যে ভুয়ো ভাগ্নে! নিজেকে রাজ্যের মন্ত্রীর ভাগ্নে পরিচয় দিয়ে সরকারি অফিসে স্বেচ্ছাচার
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ১৯ জুন সুপ্রিম কোর্ট লাল-নীল বাতির গাড়ি অহরহ ব্যবহারে কড়া নির্দেশ দেয়। সেই অনুযায়ী কারা কারা এই ধরনের গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন, তার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য পরিবহণ দফতর। তখন মোট ১৯ ধরনের পদাধিকারীরা লাল-নীল বাতির গাড়ি ব্যবহার করতে পারতেন। সাত বছর আগে নেওয়া সেই নির্দেশিকার পুনর্বিবেচনা করেই এই বদল করল রাজ্য।