Table of Contents
ডিম প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। তাই, মানুষ প্রায়শই তাদের খাদ্যতালিকায় এগুলি অন্তর্ভুক্ত করে। ডিম নানাভাবে খাওয়া হয়। কেউ কেউ সেদ্ধ করে, কেউ কেউ অমলেট তৈরি করে। তবে, কেউ কেউ কেবল ভেঙে কাঁচা খান। এটি প্রশ্ন উত্থাপন করে: কাঁচা ডিম খেলে কি বেশি প্রোটিন পাওয়া যায় নাকি বেশি উপকারী? এই বিষয়ে বিভিন্ন মিথ এবং বিশ্বাস রয়েছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যে আগুন বা তাপ পুষ্টি উপাদান ধ্বংস করে, কাঁচা খাবারকে আরও পুষ্টিকর করে তোলে।
আপনার যদি এই প্রশ্ন থাকে: কাঁচা ডিম খেলে কি বেশি উপকারিতা এবং প্রোটিন পাওয়া যায়? তাহলে এই প্রবন্ধটি আপনার জন্য। আসুন বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া যাক আপনার আসলেই কাঁচা ডিম খাওয়া উচিত কিনা।
কাঁচা ডিম খেলে কি বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়?
নিদান মাদার অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার (সেক্টর ৫১, নয়ডা) এর শিশু বিশেষজ্ঞ রাজীব রঞ্জন ব্যাখ্যা করেন যে কাঁচা ডিম খেলে বেশি প্রোটিন পাওয়া যায় এই ধারণাটি সত্য নয়। আপনার জানা উচিত যে রান্না করা ডিম, যেমন অমলেট বা সিদ্ধ ডিম, প্রোটিন শোষণের হার বেশি। রান্না করা ডিম খাওয়ার ফলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত প্রোটিন শোষণ হয়, যেখানে কাঁচা ডিম খেলে মাত্র ৫০ শতাংশ প্রোটিন শোষণ হয়।
কাঁচা ডিম খাওয়ার এই অসুবিধাগুলি
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা ডিম খেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এটি ডায়রিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। অতিরিক্তভাবে, কাঁচা ডিম খাওয়ার ফলে বমি বমি ভাব এবং গ্যাস হতে পারে। তাছাড়া, কাঁচা ডিম বায়োটিনের শোষণকেও বাধা দেয়, যার ফলে চুল পড়া এবং ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দেয়। অতএব, আপনার কাঁচা ডিম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। সর্বদা রান্না করুন।
আরও পড়ুন : ঘরে তেলাপোকার আতঙ্ক: ঘরোয়া প্রতিকার কি এগুলো কমাতে পারে? জানুন
পুষ্টিকর ডিম
ডিম প্রোটিনের একটি সুপরিচিত উৎস। তবে, এতে ভিটামিন, চর্বি, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন B12 ও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে ব্যক্তিদের তাদের ওজন এবং বয়স অনুসারে ডিম খাওয়া উচিত। ডিমেরও উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে, তাই গ্রীষ্মকালে তাদের খাওয়া সীমিত করুন।