Table of Contents
ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে শুরু করে। বিশেষ করে শীত বা বর্ষার শুরুতে ভাইরাল সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যদি আপনার গলা চুলকানি, ঘন ঘন হাঁচি, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা বুকে টান লাগার মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দামি ওষুধ খাওয়ার আগে আপনার পুরনো দিনের এই প্রতিকারগুলি চেষ্টা করা উচিত।
ঠান্ডা লাগা এবং কাশি থেকে মুক্তি পাওয়ার সেরা প্রতিকার
আরও তরল গ্রহণ (হাইড্রেশন): অসুস্থ হলে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দিন হালকা গরম জল, ভেষজ চা, উদ্ভিজ্জ স্যুপ বা নারকেল জল পান করুন। তরল পদার্থ গলার কফ পাতলা করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
বাষ্প পদ্ধতি: নাক খোলা এবং বুকে জমাট বাঁধার জন্য বাষ্প একটি চমৎকার প্রতিকার। এক বাটি গরম জলে সামান্য ধনেপাতা বা ইউক্যালিপটাস তেল মিসিয়ে ভাপ নিলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হয় এবং তাৎক্ষণিক উপশম হয়। এটি ত্বকের ছিদ্রগুলিও খুলে দেয়, যা মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
মধুর ব্যবহার: মধুতে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এক চা চামচ মধুতে এক চিমটি কালো মরিচ গুঁড়ো বা আদার রস মিশিয়ে তা গ্রহণ করলে শুষ্ক কাশিতে অলৌকিকভাবে উপকারী। রাতে ঘুমানোর আগে মধু গ্রহণ করলে গলা ব্যথা উপশম হয় এবং ঘুমেরও উন্নতি হয়।
আর্দ্রতা বজায় রাখুন (ভ্যাপোরাইজার): যদি আপনার ঘরের বাতাস শুষ্ক থাকে, তাহলে কাশি বাড়তে পারে। ঘরে ভ্যাপোরাইজার বা হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করলে বাতাসে আর্দ্রতা বজায় থাকে, যা নাক বন্ধ হওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
আরও পড়ুন : দুধ কি সত্যিই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে? জানুন
বিশেষ টিপস:
যেহেতু এই প্রতিকারগুলি প্রাকৃতিক, তাই এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, তবে যদি জ্বর দীর্ঘ সময় ধরে থাকে বা কাশি খুব পুরনো হয়, তাহলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা অপরিহার্য। মধু এবং হলুদযুক্ত দুধ ছোট বাচ্চাদের জন্য নিরাপদ এবং খুবই উপকারী।