নয়াদিল্লী : পাকিস্তান আফগানিস্তান বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নাগরিকরা এ দেশে থাকার জন্য এই নোটিস অনুযায়ী আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে। তবেই এই আবেদন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন নাগরিকরা। পাঁচ রাজ্য যথাক্রমে গুজরাট, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, ছত্তিশগড়ের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের নাগরিকত্বের ইস্যুতে আবেদনের নোটিস জারি করল কেন্দ্র। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এই তালিকায় বাংলার নাম নেই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নোটিস অনুযায়ী আপাতত এই পাঁচ রাজ্যের ১৩টি জেলার জেলাশাসকদের নাগরিকত্ব প্রদানের এক্তিয়ার দেওয়া হয়েছে। নোটিশে স্পষ্ট বলা হয়েছে ধর্মীয় কারণে যেসব সংখ্যালঘুরা অর্থাৎ হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, পার্শীরা ভারতে আছেন তাঁদের ভারতে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকত্ব দিতে পারবেন এই রাজ্যগুলির সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকরা।
৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে আসা শরণার্থীদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য। ১৯৫৫ ও ২০০৯ সালের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী এই নির্দেশিকা কার্যকর করতে হবে, এমনটাই মত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের। তবে ২০১৯ সালের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনটি এখনি প্রয়োগের বিষয়ে কোনও মত দেয়নি কেন্দ্র।
দিনে দুই-তিন কাপের বেশি চা পান করেন? ক্ষতি হতে পারে স্বাস্থ্যের
উল্লেখ্য ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একই ভাবে ৭ টি রাজ্যের ১৬ টি জেলার জেলাশাসকদের এই অধিকার দিয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে নতুন আইনটি সামনে আসায় দেশজুড়ে বিরোধিতার ঝড় ওঠে। কেন্দ্র প্রাথমিক ভাবে এই আইন প্রয়োগ না করলেও ভবিষ্যতে তা প্রয়োগ হবে বলে জানিয়ে রেখেছেন।
Yaas এ ক্ষতিপূরণের তালিকা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রেকর তরফে জানানো হয়েছে, একমাত্র অনলাইনে এই আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে। আবেদন খতিয়ে দেখবেন সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জেলা কালেক্টর বা স্বরাষ্ট্রসচিব। এরপর, তাঁরা কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠাবে। কেন্দ্র সেই রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।