Purba Medinipur: পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে তৃণমূল, বিজেপি-কে সমর্থন, CPIM থেকে বহিষ্কৃত ৮, ২২৩ কর্মীকে শোকজ

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রাম বাংলায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে টানাপড়েন চলছিল বেশকিছু দিন। যেসব এলাকায় কোনও একটি দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, সেখানে অন্যদের সমর্থনে বোর্ড গঠন চলছে। এমন অনেক ক্ষেত্রে বিজেপির সঙ্গেও একজোট হতে দেখা গিয়েছে সিপিএম-কংগ্রেসকে। পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে বিজেপি বা তৃণমূলকে CPIM এর যে সব জয়ী প্রার্থী সাহায্য করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এবার বহিষ্কার করা হল আট জন সদস্যকে। শোকজ করা হয়েছে ২২৩ জনকে। আগামী সাত দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে হবে তাদের।

তৃণমূল বা বিজেপিকে সমর্থন করলে বরখাস্ত করা হবে, পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সিপিএম নেতৃত্ব। গত ৩১ জুলাই পূর্ব মেদিনীপুরে সিপিএম-এর সম্পাদক নিরঞ্জন সিহি বলেছিলেন, “তৃণমূল বা বিজেপিকে আমরা সমর্থন করি না আমরা নিরপেক্ষ থাকব। এরকম কেউ করলে বহিষ্কার করব।” কিন্তু কার্জ ক্ষেত্রে ঠিক দেখা গেল ঠিক উলটো। পূর্ব মেদিনীপুরে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনে তৃণমূল বা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন, এমন সদস্যদের চিহ্নিত করতে ৩৩টি এরিয়া কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন CPIM এর জেলা নেতৃত্ব।

রবিবার জেলা কমিটির বৈঠকে মহম্মদ সেলিম ও সুজন চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রত্যক্ষ ভাবে তৃণমূল এবং বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগে আট জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হবে। বহিষ্কৃতদের তালিকায় রয়েছেন, CPIM এর ভগবানপুর-২ এরিয়া কমিটির সম্পাদক, প্রতাপদিঘি এরিয়া কমিটির দুই সদস্য, এগরা এরিয়া কমিটির এক সদস্য এবং হলদিয়া গ্রামীণের চার দলীয় সদস্য। এ ছাড়াও, পঞ্চায়েত ভোটে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে শোকজ করা হচ্ছে ২২৩ জন দলীয় কর্মীকে।

আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা অপপ্রচার করছেন, সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বললেন মহাম্মদ সেলিম

সেরকমই নদীয়ার রুই-পুকুর, বাঁকুড়ার বৃন্দাবন-পুর, পুরুলিয়ার ধানারা, পূর্ব মেদিনীপুরের অমৃতবেড়িয়ার মতো অনেক জায়গাতেই CPIM এর জয়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে তৃণমূল বা বিজেপিকে সাহায্যের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে কড়া অবস্থান নিচ্ছেন আলিমুদ্দিনও। কিন্তু তা তৃণমূলস্তরে কতটা প্রয়োগ করা সম্ভব হবে তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের এই বিধিনিষেধ আদেও কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে রাজনৈতিকর মহলের একাংশের।

প্রসঙ্গত, গতবছর তম্লুক সমবায় সমিতির ভোটে বিজেপির সাথে ভোটে জোট করে লড়ায় করাতে ছয় জন সিপিএম নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেন নেতৃত্ব। তবে প্রথমিক ভাবে এই পঞ্চায়েত ভোটে বামেরা যে এই বিষয়ে বেশ ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ অবস্থান নিচ্ছে সেটা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
TAGGED:
Share This Article