ওয়েব ডেস্ক: পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান উপদেষ্টার পদ ছেড়েছেন অনেকদিন। তিনি কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন জল্পনাও চলছিল বেশ কিছুদিন। আগামী বছর পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই তিনি ফের রাজনীতির ময়দানে পা রাখছেন। তবে অন্য কোনও দল নয়, কংগ্রেসেই তিনি যোগ দিতে পারেন। তবে তাকে দলে নেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে দলের অন্দরে দ্বিমত তৈরি হয়েছে, তবে শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন দল নেত্রী সনিয়া গান্ধীই।
গত জুলাই মাসেই তিন গান্ধী অর্থাৎ সনিয়া, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন পিকে। এরপরই জল্পনা শুরু হয়, হয়তো কংগ্রেসেই যোগ দিচ্ছেন তিনি। সূত্রের দাবি, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে নরেন্দ্র মোদীকে হঠাতে কেন্দ্রীয় স্তরে প্রধান বিরোধী দল হিসাবে কংগ্রেসকেই বেছে নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। অতীতে উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং পিকের দলে যোগদান নিয়ে তাঁদের কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।
কেন্দ্রের পাঠান অর্থ ১০০ শতাংশ খরচ করেছে রাজ্য, চিঠি দিয়ে মমতার প্রশংসায় মোদী সরকার
গত জুলাই মাসেই তিন গান্ধী অর্থাৎ সনিয়া, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন পিকে। এরপরই জল্পনা শুরু হয়, হয়তো কংগ্রেসেই যোগ দিচ্ছেন তিনি। সূত্রের দাবি, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে নরেন্দ্র মোদীকে হঠাতে কেন্দ্রীয় স্তরে প্রধান বিরোধী দল হিসাবে কংগ্রেসকেই বেছে নিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। অতীতে উত্তর প্রদেশ নির্বাচনে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং পিকের দলে যোগদান নিয়ে তাঁদের কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।
আর ক্যাম্পে নয়, এবার বাড়ি বাড়ি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফর্ম দিচ্ছেন আশাকর্মীরা
প্রসঙ্গত একদা আহমেদ পাটেল ছিলেন কংগ্রেসের পরামর্শদাতা। তার মৃত্যুর পর কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সনিয়া গান্ধী পরামর্শদাতা খুঁজছিলেন, আর প্রশান্ত কিশোর সেই পদেই বসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অতীতে কংগ্রেসের সঙ্গে প্রশান্তের সম্পর্ক খুব একটা ভাল ছিল না। ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের সময়ও কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোটের ব্যর্থতার জন্য পিকে-কেও কিছুটা দায়ী কা হয়। তবে পঞ্জাবে বিজেপি-আকালি দলের জোটকে হারিয়ে কংগ্রেস জয়লাভ করায় প্রশান্ত নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা কিছুটা বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। তার পর থেকেই একের পর এক রাজ্যে তারই পরামর্শে বিজেপি কে রুখে দেওয়াই রাজনীতিতে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে বলেই মনেকরছে রাজনৈতিক মহল।
