Table of Contents
তাপমাত্রা কমার সাথে সাথে সর্দি, কাশি, ফ্লু, জ্বর এবং ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই ধরনের আবহাওয়ায়, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অসুস্থতা থেকে রক্ষা করে। দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একজন ব্যক্তির অসুস্থ হওয়ার পর সুস্থ হতে বেশি সময় নিতে পারে। পরিবর্তিত আবহাওয়া শিশু, বয়স্ক এবং কর্মজীবীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, যার ফলে তাদের স্বাস্থ্যের প্রতি সতর্ক থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এমন পরিস্থিতিতে, খাদ্যাভ্যাস, দৈনন্দিন রুটিন এবং জীবনযাত্রায় ছোট ছোট পরিবর্তন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে পারে। সঠিক তথ্যের অভাবে, মানুষ প্রায়শই ছোট ছোট বিষয়গুলিকে উপেক্ষা করে, যা পরে বড় সমস্যায় পরিণত হতে পারে। অতএব, সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য শীতকালে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে শক্তিশালী করা যায় তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
শীতকালে দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করার জন্য এই ডায়েট অনুসরণ করুন।
আরএমএল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ সুভাষ গিরি ব্যাখ্যা করেন যে শীতকালে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য খাদ্যাভ্যাসের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া অপরিহার্য। এই ঋতুতে তাজা, উষ্ণ এবং পুষ্টিকর খাবার শরীরকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করে। মৌসুমী ফল এবং শাকসবজি প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করে। খাদ্যতালিকায় আমলা, কমলা এবং পেয়ারার মতো ফল অন্তর্ভুক্ত করা উপকারী।
সবুজ শাকসবজি, ডাল এবং গোটা শস্যও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। শীতকালে স্যুপ, দই এবং হালকা, উষ্ণ খাবার হজমশক্তি উন্নত করে। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য পর্যাপ্ত জল পান করাও অপরিহার্য। শীতকালে একটি সুষম খাদ্য একটি শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
জীবনধারার পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ
শুধু খাদ্যাভ্যাস নয়, একটি স্বাস্থ্যকর জীবনধারাও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শীতকালে রোদে কিছু সময় কাটানো শরীরের জন্য উপকারী। প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম শরীরকে সক্রিয় রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঘুমের অভাব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করতে পারে।
আরও পড়ুন : ঘরে তেলাপোকার আতঙ্ক: ঘরোয়া প্রতিকার কি এগুলো কমাতে পারে? জানুন
শীতকালে, রাত পর্যন্ত জেগে থাকা এবং অনিয়মিত রুটিন এড়িয়ে চলুন। মানসিক চাপ কমানো এবং মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়াও এটি করুন:
- প্রতিদিন হালকা গরম জল পান করুন।
- সকালের রোদে নিজেকে উন্মুক্ত করুন।
- পর্যাপ্ত ঘুমান।
- হালকা ব্যায়াম বা যোগব্যায়াম করুন।
- আপনার স্বাস্থ্যবিধির যত্ন নিন।
- ঠান্ডা থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য গরম পোশাক পরুন।