ত্রিপুরা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা খেল বিপ্লব দেবের প্রশাসন, স্বস্তিতে তৃণমূল

by Chhanda Basak

ওয়েব ডেস্ক: ত্রিপুরা হাই কোর্টের রায়ে স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও পাঁচ তৃণমূল নেতা। আদালত সাফ জানাল, এই মামলায় নতুন করে কাউতে নোটিস দেওয়া যাবে না। পুজোর পরে গোটা বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে। কিন্তু ততক্ষণ কাউকে ডাকা যাবে না।

Tripura high court stays on police proceeding against abhishek banerjee

প্রসঙ্গত, যুব তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে খোয়াই থানায় কার্যত রণং দেহি মেজাজে ধরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে রীতিমতো বচসায় জড়িয়ে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দাবি উঠেছিল ধৃতদের মুক্তির। এমনকি প্রতিবাদ স্বরূপ খোয়াই থানায় অবস্থানে বসে পড়েন অভিষেক-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা-নেত্রী। আর তার জেরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে ত্রিপুরা পুলিশ। নোটিস পাঠিয়ে তৃণমূল নেতাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছিল। যার পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে যায় তৃণমূল। বৃহস্পতিবার আদালত জানায়, পুজোর পর বিষয়টা নিয়ে আলোচনা হবে। তবে এখন আর নতুন করে কাউকে নোটিস দেওয়া যাবে না।

পেগাসাস-তদন্তে বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়বে সুপ্রিম কোর্ট, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

ইতিমধ্যেই বিপ্লব দেবের সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। তাই সেখানে কোনও মিটিং, মিছিল, সভা–সমাবেশ করা যাবে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকাতেই এই পদক্ষেপ করেছে ত্রিপুরার সরকার বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের। এবার ত্রিপুরা হাইকোর্ট সরকারের পথে হেঁটেই ধাক্কা দিয়ে দিল। কারণ পুরো বিষয়টি দুর্গাপুজো পর্যন্ত পিছিয়ে দিল আদালত।

অভিষেকের পদযাত্রা কার্যত বিশ বাঁও জলে, স্থগিতাদেশ জারি হাই কোর্টের

উল্লেখ্য, আগস্টের গোড়ার দিকে দলীয় এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুব-নেতৃত্বকে রাস্তায় আটকানো হয়। সেখানে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা ও জয়া দত্তদের উপর হামলা চলে বলে অভিযোগ। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার, কানে আঘাত পান জয়া দত্ত। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। কার্যত গোটা ত্রিপুরা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরপরই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হলে খোয়াই থানায় অবস্থানে বসেন অভিষেক, কুণাল ঘোষরা। ধৃতদের মুক্তির দাবি তোলেন। কিন্তু জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হওয়ায় ধৃত নেতাদের তোলা হয় আদালতে। এই সম্পূর্ণ সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় -সহ পাঁচ তৃণমূল নেতা থানাতেই অবস্থানে বলেছিলেন, এই মামলা সেই কারণেই।

Copyright © 2025 NEWS24-BENGALI.COM | All Rights Reserved.

google-news