Table of Contents
যখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন এর প্রভাব প্রথমে হাত ও পায়ে দেখা যায়। অনেকেই এই প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে উপেক্ষা করেন।
কিডনির কাজ শুধু বিষাক্ত পদার্থ অপসারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।
এগুলো শরীরে জল, লবণ এবং পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের ভারসাম্যও বজায় রাখে। এছাড়াও, এগুলো এমন হরমোন তৈরি করে যা রক্তচাপ এবং রক্তগঠন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই, এই লক্ষণগুলোর যেকোনো অস্বাভাবিকতা পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে। হাত, গোড়ালিতে ফোলাভাবকে কিডনি ক্ষতির সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। যদি ফোলা অংশে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে একটি গর্ত তৈরি হয়, তবে তা শরীরে জল জমার ইঙ্গিত দেয়। এটি কিডনি ক্ষতির একটি স্পষ্ট লক্ষণ হতে পারে।
সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণগুলো জানুন
কিডনি ক্ষতির কারণে পেশিতে টান ধরতে পারে এবং এমনকি হঠাৎ তীব্র খিঁচুনিও হতে পারে। এটি ঘটে কারণ কিডনি ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। পায়ের পেশিতে ব্যথা এবং শক্ত হয়ে যাওয়া এই সমস্যার একটি প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। যদি আপনার হাত বা পায়ের ত্বক অতিরিক্ত চুলকায়, শুষ্ক হয়ে যায় বা ফোসকা পড়ে, তবে এটিকে উপেক্ষা করবেন না। যখন কিডনি রক্তথেকে বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করতে পারে না, তখন এই অপরিষ্কার পদার্থগুলো ত্বকের নিচে জমা হয়, যার ফলে চুলকানি এবং জ্বালা হয়।
আরও পড়ুন : শীতকালে কম জল পান করলে কোন কোন রোগগুলোর ঝুঁকি বাড়তে পারে, জানুন
হাত ও পায়ে অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ ধরা
হাত ও পায়ে অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ ধরাও কিডনি ক্ষতির একটি লক্ষণ হতে পারে। কিডনি ক্ষতি স্নায়ুকে প্রভাবিত করে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি বলা হয়। এর ফলে হাত ও পায়ে অদ্ভুত অনুভূতি হতে পারে। পায়ে ক্রমাগত ব্যথা, দুর্বলতা বা ক্লান্তিও কিডনির সমস্যার সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমার কারণে হাড় এবং পেশী প্রভাবিত হয়।
Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।