শুধু সাধারণ হাঁটা নয়, এই ৮টি উপায়ে হাঁটলে মেদ দ্রুত উধাও হবে!

3 Min Read
শুধু সাধারণ হাঁটা নয়, এই ৮টি উপায়ে হাঁটলে মেদ দ্রুত উধাও হবে!
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

হাঁটা মানেই শুধু হেঁটে যাওয়া নয়। আপনি কীভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে হাঁটছেন, তা জানাও খুব জরুরি। কারণ হাঁটা একভাবে নয়, অনেকভাবে করা হয়। তাই জেনে নিন আপনি কোন ধরনের হাঁটা হাঁটছেন?

হাঁটার বিজ্ঞান: শুধু হাঁটা নয়, এই ৮টি উপায়ে হাঁটলে মেদ দ্রুত উধাও হবে!

হাঁটার প্রকারভেদ এবং এর আশ্চর্যজনক উপকারিতা

১. জাপানি ইন্টারভাল ওয়াকিং

এই পদ্ধতিটি এইচআইআইটি (হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং)-এর একটি রূপ হিসেবে বিবেচিত হয়। এতে ৩ মিনিট খুব দ্রুত এবং তারপর ৩ মিনিট ধীরে ধীরে হাঁটা হয়। ৩০ মিনিট ধরে এই পদ্ধতিতে হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে।

২. ঢালু জায়গায় হাঁটা

সমতল ভূমির পরিবর্তে ঢালু বা পাহাড়ি জায়গায় হাঁটলে শরীরের নিচের অংশের পেশীগুলো বেশি সক্রিয় হয়। এটি সাধারণ হাঁটার চেয়ে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ বেশি ক্যালোরি পোড়ায় এবং হাঁটু শক্তিশালী করে।

৩. ওজন নিয়ে হাঁটা

পিঠে নিজের শরীরের ওজনের ৫ থেকে ১৫ শতাংশ ওজন নিয়ে হাঁটলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে এবং ক্যালোরি পোড়ানোর পরিমাণ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

৪. ওয়ার্কআউটের পর হাঁটা

কঠোর ব্যায়াম বা ওয়েট ট্রেনিংয়ের পর ১৫-২০ মিনিট হাঁটলে রক্তে চর্বি দ্রুত পোড়ে (ফ্যাট অক্সিডেশন) এবং ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫. খাবারের পর হাঁটা

খাওয়ার পরপরই ১৫ মিনিট হাঁটলে রক্তে শর্করার মাত্রা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো যায়। এই অভ্যাসটি পেটের মেদ কমানোর জন্য একটি অব্যর্থ উপায়।

৬. ১২-৩-৩০ ওয়ার্কআউট

এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খুব জনপ্রিয় পদ্ধতি। একটি ট্রেডমিলে ১২ শতাংশ ঢালে ৩ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিতে ৩০ মিনিট হাঁটুন। এই পদ্ধতিটি দৌড়ানো ছাড়াই দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমান, এই বিশেষ বিষয়গুলো মাথায় রাখুন

৭. নিট ওয়াকিং (ট্রেডমিল ডেস্ক)

এর মধ্যে অফিসের কাজ করার সময় বা টিভি দেখার সময় হাঁটা অন্তর্ভুক্ত। এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি দিনের শেষে সহজেই অতিরিক্ত ২০০০ থেকে ৩০০০ পদক্ষেপ সম্পূর্ণ করতে পারেন, যা মেটাবলিজম উন্নত করে।

৮. পিরামিড ওয়াকিং

এই হাঁটায় প্রতি ১০ মিনিট অন্তর হাঁটার গতি এবং ঢাল ধীরে ধীরে বাড়ানো হয় এবং শেষে গতি ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হয়। এতে শরীরের বিপাক ক্রিয়া দীর্ঘক্ষণ ধরে সক্রিয় থাকে।

এই হাঁটা একটি ওয়ার্ম-আপ দিয়ে শুরু হয় এবং প্রতি ১০ মিনিট অন্তর গতি ও ঢাল ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। শেষের দিকে হাঁটাটি বেশ তীব্র হয়ে ওঠে, যার পরে একটি কুল-ডাউন পর্ব থাকে। এই হাঁটা দীর্ঘক্ষণ ধরে বিপাক ক্রিয়াকে উচ্চ পর্যায়ে রাখে, যার ফলে বেশি ক্যালোরি পোড়ে।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article