ওয়েব ডেস্ক: পড়া না পারায় মারাত্মক শাস্তি দিলেন গৃহশিক্ষিকা। হুগলীর উত্তরপাড়ায় ৮ বছরের শিশুকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার অভিযোগ গৃহশিক্ষিকার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ওই ঘটনা ঘটে। শনিবার শিশুর বাড়ির লোক বিষয়টি জানতে পারেন। তারপরই উত্তরপাড়া থানায় দায়ের করা হয় অভিযোগ।
হুগলীর হিন্দমোটরের বাসিন্দা ওই পড়ুয়া। প্রাইভেট টিউশন পড়তে যেত কোন্নগর রাজীব গান্ধী রোগের বাসিন্দা রুমু ঘোষের কাছে। শুক্রবার পড়তে গেলে ৭ বছরের ওই খুদেকে এক থেকে একশো পর্যন্ত লিখতে বলেন শিক্ষিকা। তা না পারতেই মারাত্মক শাস্তি। অভিযোগ, প্রথমে স্কেল দিয় মার। তারপর গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেন রুমু ঘোষ।
লাখ টাকা দিয়ে মিলেছিল রেলের ভুয়ো নিয়োগপত্র, নিয়োগপত্র জমা দিতেই ধরাপরল জালিয়াতি
এরপর পড়ুয়া বাড়ি চলে আসে। পাশাপাশি ছাত্রকে নিষেধ করেন বাড়িতে কিছু বলতে। তার পরিবারের দাবি, ওই গৃহশিক্ষিকা শিশুর ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ করে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বাড়ির লোককে গৃহশিক্ষিকা জানান, অসাবধানে শিশুর গায়ে ছ্যাঁকা লেগে গেছে। শিশুটি এতদিন কিছু বলেনি। ভয়ে মুখ বুজে যন্ত্রণা সহ্য করেছে। শনিবার বাড়ির লোক ব্যান্ডেজ খুলে বিষয়টি জানতে পারে।
এবারেও পুজো মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’, আরও কি কি বিধি নিষেধ মানতে হবে যেন নিন
এরপরই কোন্নগর পুলিস ফাঁড়িতে শিক্ষিকার নামে লিখিত অভিযোগ করে পরিবার। শনিবার রাতেই গ্রেফতার করা হয় গৃহশিক্ষিকা রুণু ঘোষকে। অভিযুক্ত গৃহশিক্ষিকা বলেছেন, বাচ্চাটা একদমই পড়া করত না। তাই আমি ভয় দেখাতে গিয়েছিলাম। খুন্তি যে গরম ছিল, তা বুঝতে পারিনি। আমি চিকিৎসা করি। বাবা-মাকেও জানিয়েছিলাম।
