ওয়েব ডেস্ক: মেদিনীপুর শহরের মিরবাজার এলাকায় সিপিএমের একটি দলিও কর্ম শুচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন সূর্যকান্ত। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘বেছে বেছে নেতা-মন্ত্রীদের ডাকা হচ্ছে’। তিনি বলেন, ‘অন্যদের ED, CBI ডাকছে ডাকুক। কিন্তু, তৃণমূল ছেড়ে BJP-তে যোগ দেওয়া বিধানসভার নেতা তাঁর বিরুদ্ধেও তো একই অভিযোগ, তাঁকে ডাকছে না কেন’? নাম না করেও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশে তোপ দাগলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র।
সেখানে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর ডাক প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘যত বার খুশি ডাকুন। অনেকে বিজেপি-তে চলে গিয়েছেন বলে তাঁদের ডাকা হচ্ছে না। তাঁদের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। সাত বছর ধরে তদন্ত চলছে। সিবিআই বা ইডি হোক, টাকা তো উদ্ধার করতে পারেনি। আর ক’দিন? যাঁরা জড়িত, তা তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন বা বিরোধী দলনেতা, সবাইকেই ডাকা উচিত।’’ তিনি আরও বলেন, ‘সাত বছর ধরে এক একটা মামলার তদন্ত হচ্ছে। তবুও কোনও রিপোর্ট দিতে পারছে না CBI।
ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে এইদিন তিনি জানান, ‘ভবানীপুর সহ যে কটা আসনে নির্বাচন হচ্ছে সেই সমস্ত ক্ষেত্রে আমাদের বোঝাপড়া যেমন ছিল তেমনই থাকছে। তবে কংগ্রেস কোথাও প্রার্থী না দিলে আমরা সেখানে প্রার্থী দেব, তৃণমূলকে ছেড়ে দেওয়া যায় না।’
কেন স্রেফ ভবানীপুরেই উপনির্বাচন? জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে
সূর্যকান্ত মিশ্রের দাবি, রাজ্যে এখনও ভোট পরবর্তী হিংসা হচ্ছে। যেখানেই ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে সেখানেই মানুষের প্রতিবাদ সংগঠিত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি সূর্যকান্ত মিশ্রের প্রশ্ন নির্বাচন কমিশন তিনটি বিধানসভায় ভোট করাতে পারলেও বাকিগুলোতে কেন নির্বাচন করানো হচ্ছে না!
মাসের শেষে কৃষকদের ডাকে ‘ভারত বনধ’ কে সমর্থন কংগ্রেসের
গত দু’টি ভোটে CPM-এর ভরাডুবি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘পঞ্চায়েত ভোটের আগে আমাদের পার্টি ছেড়ে কেউ BJP-তে যায়নি। মানুষ মনে করছিল তৃণমূলকে আটকাতে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। তাই দিয়েছে। আবার, আগের ভোটে মানুষ মনে করেছে BJP-কে আটকাতে তৃণমূলকে ভোট দেওয়া প্রয়োজন।’