ভুয়ো IAS, CID, CBI এর পর রাজ্যে এবার ধরাপরল ভুয়ো বিচারক

2 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: ভুয়ো IAS, CBI, CID অফিসারে পর এবার শিলিগুড়ি থেকে হদিশ পাওয়া গেল ভুয়ো বিচারকের। অভিযুক্তের নাম সমীর দুবে। অভিযোগ, নিজেকে ‘বিচারক’ হিসেবে পরিচয় দিয়েই শিলিগুড়িতে এক ব্যক্তি সাথে ৯১ লাখ টাকার প্রতারণা করে। ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত সমীর সহ আরও এক ব্যক্তিকে।

ভুয়ো ias, cid, cbi এর পর রাজ্যে এবার ধরাপরল siliguri police commissionerate arrested fake judge

পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকমাস আগে ওই ব্যক্তির সঙ্গে শিলিগুড়ির সেবক রোডের এক ব্যবসায়ীর যোগাযোগ হয়। ঐ ব্যবসায়ীর কাছে নিজে কে বিচারক ও অকশন অফিসার বলে পরিচয় দেয় সে। মাঝেমধ্যেই নানা বিষয়ে আলোচনা হতো দু’জনের মধ্যে। কয়েকদিন আগে সমীর জানায় বিহারের কিষাণগঞ্জে প্রচুর গম ধরা পড়েছে। খুব শীঘ্রই সেই গম নিলাম হবে। কিনতে চাইলে সে ব্যবস্থা করে দেবে। ধৃত কিছু ছবিও দেখায় ব্যবসায়ীকে।

বিষয়টি জানতে পেরে ওই ব্যবসায়ী আরও কয়েকজনকে এই বিষয়টি জানান। এরপর ঐ ব্যবসায়ী এবং তাঁর বন্ধু সেই গম কেনার ইচ্ছে প্রকাশ করে। খরচ বাবদ প্রায় ৯১ লাখ টাকা দেওয়া হয় সমীর দুবেকে। এরপর অভিযুক্ত কিছু নথিপত্র দেয় ওই ব্যবসায়ীকে। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার পর একাধিক বার যোগাযোগ করা হলেও, সমীর দুবের ফোন সুইচড অফ আসে। এরপর সমীরের ছবি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ খবর নিতে শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। জানা যায়, সমীর আসলে বিচারকই নয়। গত ২৮ জুন ভক্তিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ব্যবসায়ীরা।

২০১৮ সালে BRICS সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি FAKE CBI অফিসার সনাতন রায়চৌধুরি!

তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত সমীর আসলে বিহারের বাসিন্দা। বুধবার কিষাণগঞ্জে গিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের গোয়েন্দা শাখার আধিকারিকেরা।

ধৃত সমীর পেশায় আইনজীবী হলেও, বিচারক নয়। এমনটাই জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। প্রথমে থানা তদন্ত শুরু করলেও, পরবর্তীতে ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় গোয়েন্দা শাখাকে।

এবার কলকাতা থেকে ধৃত আরেক CBI অফিসার, এবার ভুয়ো CBI আধিকারিকের সঙ্গে রুদ্রনীল!

এদিন অভিযুক্তের আরও এক সঙ্গী আলমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের এদিন কিষাণগঞ্জ আদালতে তোলা হয়। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

শিলিগুড়ির মোট দুই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৪৫ লাখ এবং ৪১ লাখ টাকা নেওয়ার পাশাপাশি আরও অন্য এক ব্যবসায়ীর থেকে পাঁচ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে এঁদের বিরুদ্ধে। ২০১৯ সাল থেকে কিসানগঞ্জে এদের আরো পাঁচটি প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article