বিজেপি-বিরোধী জোটে সলতে পাকানো শুরু? Delhi-র বিরোধী বৈঠকের কি নির্যাস? যেনে নিন

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি কোনও জোট নয়। বরং লোকসভা নির্বাচনের দু’বছর আগে থেকেই কি বিজেপি-বিরোধী জোটের সলতে পাকানোর কাজ শুরু হল এনসিপি প্রধান Sharad Pawar এর বাড়িতে? যদিও সেই বৈঠকের রাজনৈতিক গুরুত্বকে তেমন বড়ভাবে দেখাতে রাজি নন অংশগ্রহণকারীরা। পুরো বিষয়টিকে আঞ্চলিক দলগুলির মধ্যে ঐক্যের মঞ্চ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বিজেপি-বিরোধী জোটে সলতে পাকানো শুরু? Delhi-র বিরোধী বৈঠকের কি নির্যাস? যেনে নিন

মঙ্গলবার নয়াদিল্লীতে এনসিপি সুপ্রিমোর বাসভবনে আম আদমি পার্টি (আপ), তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোকদল (আরএলডি), ন্যাশনাল কনফারেন্স, বামেদের প্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন। তৃণমূলের তরফে বৈঠকে ছিলেন যশবন্ত সিনহা। যিনি বিজেপি-বিরোধী অরাজনৈতিক রাষ্ট্রীয় মঞ্চের আহ্বায়ক। বৈঠকের পর সমাজবাদী পার্টির প্রতিনিধি ঘনশ্যাম তেওয়ারি বলেন, ‘আজকের বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু ছিল যে দেশের জন্য একটি বিকল্প লক্ষ্যমাত্রা তৈরি করা। যা আমজনতার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে। দেশের মানুষের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে মজবুত দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির জন্য একটি দল গঠন করার পরিকল্পনা হয়েছে। সেজন্য যশবন্ত সিনহাকে নিয়োগ করেছে রাষ্ট্রীয় মঞ্চ।’

যদিও বিষয়টিকে এত সহজভাবে দেখতে রাজি নন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, দু’সপ্তাহে দু’বার প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন Sharad Pawar । তারপরই বিরোধী নেতাদের বৈঠকের কোনও রাজনৈতিক কারণ থাকবে না, সেই ভাবনাটাই ধোপে টিকছে না। বিশেষত সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপানো সত্ত্বেও প্রশান্তের কৌশলে লড়াইয়ে নামা তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় যেভাবে বিজেপিকে আটকে দিয়েছে, তাতে বিরোধী নেতাদের বৈঠকের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। যদিও খোদ প্রশান্ত জানিয়েছেন, তৃতীয় বা চতুর্থ ফ্রন্ট বিজেপিকে ঠেকাতে পারবে না।

এবার সৌজন্যের নজির বসিরহাটে, সিপিএমের পার্টি অফিস ফিরিয়ে দিল তৃণমূল

সেই জল্পনার মধ্যেই একটি মহল থেকে দাবি করা হয়, কংগ্রেসকে বয়কট করা হয়েছে। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন এনসিপির মাজিদ মেনন। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেসিকে বয়কট করা বড়সড় কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে, সেই দাবি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কংগ্রেসের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। যদিও সেই বৈঠকে পাত্তা দিতে রাজি নয় বিজেপি এবং জোটসঙ্গীরা। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কোনও বিকল্প নেই।

তবে, এই বৈঠকে আদৌ ২০২৪-এর মোদী-বিরোধী ফ্রন্ট গঠনের কোনও আলোচনা হয়েছে কিনা, স্পষ্ট করেননি আরএলডি নেতা। তিনি বলেছেন, ‘দেশের মধ্যে বিকল্প ভাবধারার পরিবেশ তৈরি করে আগামী দিনে আরও প্রতিষ্ঠিত মানুষকে মঞ্চের বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।‘

এবার কি মিশন ২০২৪? মঙ্গলবার পাওয়ারের ডাকা বিরোধীদের বৈঠক ঘিরে জল্পনা

জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে সিপিএম-র নীলোৎপল বসু, আপের এক সাংসদ, সিপিআই সাংসদ-সহ আরজেডি, জেডিইউ-এর এক প্রাক্তন নেতা এবং অমর আবদুল্লা উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠিত হিসেবে জাভেদ আখতার যোগ দিয়েছিলেন বৈঠকে। এদিকে, এদিন এই ১৪টি রাজনৈতিক দলের বৈঠককে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, ‘বহুদিন ধরে এই তৃতীয়, চতুর্থ ফ্রন্টের গল্পটা দেখে আসছি। সবশেষে একমাত্র মোদী ফ্রন্ট থাকবে। গত কয়েক দশক ধরে বাংলা শাসন করেছে বামেরা। একটা সময় ওদের ২৩৫ জন বিধায়ক ছিল। আর এখন বিধানসভায় কোনও বিধায়ক নেই। লজ্জা হওয়া উচিত।‘ এই ফ্রন্ট মানুষ মেনে নেবে না। কারণ সবক’টি দল দুর্নীতিগ্রস্ত, আঞ্চলিক, এখন কংগ্রেস-সিপিএমও আঞ্চলিক দল হয়ে গিয়েছে। এমন কটাক্ষও করেছেন দিলীপ ঘোষ।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article