ওয়েব ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে ফের মহা সঙ্কট উত্তরাখণ্ডে। মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ফের বদলাতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার রাতেই রাজ্যপালের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দিয়ে নিয়মমাফিক ইস্তফা দিলেন তীর্থ সিং রাওয়াত। রাত ১১ টা নাগাদ মন্ত্রীপরিষদের সহকর্মীদের নিয়ে রাজভবনে পৌঁছে রাজ্যপাল বেবি রানী মৌর্যকে তার পদত্যাগ হস্তান্তর করেন। তারইমধ্যে আজ দুপুর তিনটেয় বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির পরিষদীয় দল।
মাস চারেক আগেই ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতের থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি পেয়েছিলেন পাউড়ি গাড়োয়ালের সাংসদ। নিয়ম অনুযায়ী, ছ’মাসের মধ্যে তাঁকে কোনও বিধানসভা আসন থেকে জিতে আসতে হত। যে মেয়াদ আগামী ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছে। উপনির্বাচনের জন্য গঙ্গোত্রী এবং হলদিওয়ানির আসনও ফাঁকা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে আপাতত কোনও উপনির্বাচন করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন। নাম গোপন রাখার শর্তে কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আগামী বছর মার্চে উত্তরাখণ্ড বিধানসভার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তাই বিশেষ আবেদন ছাড়া বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে কমিশন কোনও উপনির্বাচন করবে না।
এর আগে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ ওঠায় উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছাড়তে হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াত-কে। তাঁর বদলে গত ১০ মার্চ উত্তরাখণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন তীর্থ সিং রাওয়াত। নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও মন্ত্রীর পদে বসার জন্যই বিধায়ক হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তীর্থ সিং রাওয়াত বিধায়ক নন।
অতিমারির ভয়ঙ্কর পর্যায় আসছে, মন্তব্য WHO প্রধানের
সূত্র অনুযায়ী, দলের অন্দরে আপাতত দুটি নাম উঠে এসেছে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে, সতপাল মহারাজ ও ধন সিং রাওয়াত। চলতি বছরেই এঁদের দুজনকেই হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন তীর্থ সিং রাওয়াত। গতকালই বিজেপি নেতা মনভীর সিং চৌহান দলীয় বৈঠকের ঘোষণা করেন। আজ, ৩ জুলাই উত্তরাখণ্ডে বিজেপির সদর দফতরে মদন কৌশিকের নেতৃত্বে দুপুর তিনটে নাগাদ এই বৈঠক হবে। সেখানেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আপাতত বিজেপির হাতে ৫৬ জন বিধায়ক আছেন। তাঁদের মধ্যে থেকেই পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বাছাই করা হবে।
