মুর্শিদাবাদ থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ল ভুয়ো কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স অফিসার

2 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জাইগা থেকে ধরা পড়ছে ভুয়ো অফিসার। এবার পুলিশের জালে ভুয়ো কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স অফিসার। পুলিশ জানায়, ধৃতের নাম শেখ আরিফুল (২৭)। উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা শেখ আরিফুল ভুয়ো ভিজিল্যান্স অফিসারের পরিচয় দিয়ে মুর্শিদাবাদের দৈলতাবাদের এক চিকিৎসকের থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি জানায় বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তে ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দৌলতাবাদ থানার পুলিশ।

Fake central vigilance officer arrested from murshidabad

সূত্রের খবর, গত বুধবার দৌলতাবাদ থানার মদনপুর অঞ্চলের রুহারপাড়া এলাকায় এক গ্রামীণ চিকিৎসকের কাছে আসে শেখ আরিফুল। সে জাল পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিজেকে কেন্দ্রীয় ভিজিল্যান্স অফিসার পরিচয় দেয় এবং ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লাইসেন্স না থাকা ও রোগীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ তোলে। চিকিৎসকের কথায়, ‘ওই ব্যক্তি নিজেকে কেন্দ্রীয় অফিসার এবং কলকাতা থেকে এসেছে জানিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ তোলে। বাঁচার উপায় হিসাবে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। আমি দিতে অস্বীকার করলে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জীবন বরবাদ হয়ে যাবে বলে হুমকিও দেয়।’

দত্তপুকুর থেকে গ্রেফতার আরেক ভুয়ো IPS অফিসার

হতভম্ব ওই চিকিৎসক কিছুটা ভয় পেয়ে আরিফুলকে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আসতে বলেন এবং সেদিনই ৫ লাখ টাকা দেবেন বলে জানান। আরিফুল সেকথায় সম্মত হলেও যাওয়ার আগে চিকিৎসকের কাছে থাকা নগদ ১৪ হাজার টাকা নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। এরপর চিকিৎসক ঘটনাটি এলাকাবাসী থেকে দৌলতাবাদ থানায় জানান। তারপর মঙ্গলবার রাতে ওই চিকিৎসকের কাছে টাকা নিতে আসে আরিফুল। সে ওই চিকিৎসকের সঙ্গে রাস্তাতেই দেখা করে। তখনই আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা এলাকাবাসী আরিফুলকে পাকড়াও করে এবং তার পরিচয়পত্র দেখতে চায়। কিন্তু, আরিফুল পরিচয়পত্র দেখাতে পারেনি। তখনই তার পর্দা ফাঁস হয়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আরিফুলকে গ্রেফতার করে। তবে এই ঘটনায় জড়িত এলাকার এক ব্যক্তি পালিয়েছে।

মধ্যমগ্রামে পুলিশের জালে গ্রেফতার ভুয়ো তৃণমূল নেতা

গ্রেফতারির পরে নিজেকে এক কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিক হিসাবে দাবি জানায় আরিফুল। ঘটনার তদন্তে বুধবার ধৃতকে বহরমপুর জেলা জর্জ আদালতে পেশ করে ৭ দিনের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় দৌলতাবাদ থানার পুলিশ। যদিও বিচারক আরিফুলকে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজত দিয়েছেন। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরিফুল কতদিন জড়িত, তার আসল পরিচয় কি এবং আর কারা এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে সে বিষয়ে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article