আর আগবাড়িয়ে কংগ্রেসের সাথে জোট নয় হাত বাড়ালে ভেবে দেখব, সিপিএম

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: তিন কেন্দ্রে ভোটের পর বাকি আরও চার কেন্দ্রের উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের তরফে সেই উপনির্বাচনের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছে। তাহলে কি আবারও বাম-কংগ্রেস জোটে দেখাজাবে এই উপনির্বাচনে? তবে এবার ভবানীপুরের ‘বিভ্রান্তি’ থেকে শিক্ষা নিয়ে আর আগ বাড়িয়ে হাত ধরতে চায় না সিপিএম। আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর, যদি এমন কোন প্রস্তাব আশে তাহলে ভেবে দেখবে দল।

Cpim to rethink on alliance with congress ahead of bypolls

বাকি চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন আগামী ৩০ অক্টোবর। তারমধ্যে দু’টিতে জিতেছিল বিজেপি এবং বাকি দু’টিতে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার জোটের প্রার্থী দেওয়ার দিক থেকে বিবেচনা করলে, শান্তিপুরে প্রার্থী ছিল কংগ্রেসের, খড়দহে সিপিএমের। আর দিনহাটা ও গোসাবায় লড়াই করেছিল দুই বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক এবং আরএসপি। অবশ্য শান্তিপুরে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে ভোটের আগে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত টানাপড়েন চলেছিল। তবে এবার শান্তিপুরে নিজেদের প্রতীকে প্রার্থী দিতে চায় সিপিএম। দলের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের কথায়, ‘‘ভবানীপুর এবং শমসেরগঞ্জে যা হয়েছে, তার পরে কংগ্রেস নিজে থেকে প্রস্তাব না দিলে আমাদের পক্ষে জোটের পদক্ষেপ করা বিড়ম্বনার হতে পারে। আপাতত দল তার মতো প্রস্তুতি চালাবে।’’ খড়দহ কেন্দ্রে কয়েক মাস আগে ভোটে লড়া ছাত্র-নেতা দেবজ্যোতি দাসই ফের প্রার্থী হবেন, তা-ও ঠিক করে ফেলেছে সিপিএম।

নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা মোদীর ছবিটি মিথ্যে প্রচার, বিবৃতি দিয়ে জানাল নিউইয়র্ক টাইম্‌স

প্রসঙ্গত, কংগ্রেস প্রথমে ভবানিপুরে প্রার্থী দেবে বলে সিদ্ধান্ত নেওর পরেও শেষ পর্যন্ত দিল্লির হস্তক্ষেপে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের অপেক্ষাতে অনেকদিন সময় কেটে যাওর পর সেখানে প্রার্থী দিয়েছে সিপিএম। আবার মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে বামেদের সমর্থন করা হবে বলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ঘোষণা করেছিলেন। শমসেরগঞ্জের কংগ্রেস প্রার্থী তখন ভোটে লড়তে রাজি ছিলেন না। পরে তিনি ‘রাজি’ হয়ে যান এবং কংগ্রেস তাঁর হয়েই ময়দানে নেমেছে। ফলে, সেখানে কংগ্রেস ও সিপিএম দু’দলের প্রার্থী আছে। এক এক জায়গায় এই এক এক রকম সিদ্ধান্তের পরে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে তা কংগ্রেসকেই কাটাতে হবে বলে মনে করছেন সিপিএম নেতৃত্ব।

শীতলকুচিকাণ্ডে কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে হলফনামা তলব করলো কলকাতা হাইকোর্ট

প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতার কথায়, ‘‘দিনহাটা বা গোসাবায় আমাদের বলার মতো কিছু নেই। শান্তিপুর বরং কংগ্রেসের পুরনো জায়গা। সেখানে আমরা একাই লড়ব নাকি বামেদের সঙ্গে জোটের পথে যাব, দলে আলোচনা করে দেখতে হবে।’’ ভবানীপুরে প্রার্থী না দেওয়ার পরেও কংগ্রেস যে ভাবে তৃণমূল নেতৃত্বের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে পড়ছে, তার জেরে শাসক দলের প্রতি ‘নরম’ থাকার মনোভাব আপাতত রাজ্য কংগ্রেসের নেই বললেই চলে।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
TAGGED:
Share This Article