চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার দাবি করে কোনও লাভ হবে না: বিকাশরঞ্জন

2 Min Read

রাজ্যে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আর্জি দাখিল করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও SSC. সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয়েছে আবেদন। বৃহস্পতিবার হতে পারে সেই আবেদনের শুনানি। কিন্তু রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, এতে আরও কিছু সরকারি টাকা জলে দেওয়া ছাড়া কোনও লাভ হবে না।

বিকাশবাবু বলেন, ‘এটা একটা অনুষ্ঠানিকতা। এসব করে কোনও লাভ হবে না। শুধুমাত্র চাকরি হারাদের বোকা বানাতে, তাদের বিক্ষোভ রুখতে এই আবেদন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছে যে তারা ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করবে। ৩১ মের মধ্যে নোটিফিকেশন হবে। আদালত রাজ্য সরকারের কাছে এব্যাপারে হলফ নামা তলব করেছে। তার পর রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি সরকারি টাকা নষ্ট ছাড়া কিছু নয়।’

২০১৬ সালের SSCর নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এর মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীরা। আদালত জানিয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে পরিমাণে দুর্নীতি হয়েছে তাতে যোগ্য – অযোগ্য চিহ্নিত করা অসম্ভব। মধ্য-শিক্ষা পর্ষদের আবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষকদের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেও শিক্ষা কর্মীদের ব্যাপারে কোনও শিথিলতা দেখায়নি আদালত। এর পর শিক্ষা কর্মীদের জন্য মামলার রায় প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত ভাতা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

২০১৬ SSCর নিয়োগ প্রক্রিয়ার চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ১৩ মে অবসর গ্রহণ করবেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি। তার পর প্রধান বিচারপতির পদে বসবেন বিচারপতি বিআর গভই। বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার অবসরের সপ্তাহ খানেক আগে দায়ের হল পুনর্বিবেচনার আর্জি।

Share This Article