ওয়েব ডেস্ক: বিয়ের সময় মেয়েরা আবেদন করলে টা যাচাই করে তাদের ২৫ হাজার তাকা দেওয়া হবে রাজ্যের তরফে। এরই নাম রূপশ্রী প্রকল্প। কিন্তু এই টাকা পাওয়ার জন্য আবেদনের বহর দেখে আধিকারিক দের ছক্ষু চড়কগাছ। এর মধ্যে কারোর বিয়ে হয়ে গিয়েছে আগেই। কারোর আবার সন্তান রয়েছে। কেউ আবার প্রেমিককে হবু স্বামী সাজিয়েছিলেন। এরপর বিয়ের কার্ড ছাপিয়ে তা জমা দেওয়া হয়েছিল সরকারের ঘরে।
শুধু ভুয়ো হবু স্বামী, কিংবা ভুয়ো বিয়ের কার্ড নয়, একেবারে ভুয়ো বাবা, মাও বানিয়ে ফেলেছিলেন কয়েকজন। কেউ একবছর আগে, কেউ আবার কয়েকবছর আগেই গাঁটছড়া বেঁধেছেন। তবুও শুধু রূপশ্রীর টাকার জন্য নানা গল্প সাজিয়েছেন তাঁরা। এবার সবদিক বিবেচনা করে ৩১৩ জনের আবেদন বাতিল করেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন। এই সমস্ত ভুয়ো আবেদনকারীদের বার বার সতর্কও করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
ফের বসতে চলেছে দুয়ারে সরকার, কোন কোন প্রকল্প থাকছে জানিয়ে দিল নবান্ন
প্রশাসন সূত্রে খবর বিয়ের মরসুম শুরু হতেই রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য আবেদন করার ধুম পড়ে গিয়েছে। সাধারণত বিয়ের আগে এই আবেদন করলে বিয়ের কয়েকদিন আগেই প্রকল্পের টাকা পাওয়া যায়। কিন্তু ২৫ হাজার টাকার প্রলোভনে ভুয়ো নথি দাখিল করেছেন অনেকেই। অভিযোগ এমনটাই। একেবারে পাঁজি দেখে বিয়ের দিনক্ষণ উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গেই পাত্র, তার ঠিকানা এমনকি পাত্রের ছবিও দিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। এমনকি পাত্র বলে যুবকদের নিয়েও আসা হয়েছে দফতরে। যাচাই করতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে সবটাই সাজানো। এদিকে সন্তানের মা হয়ে গিয়েছেন এমন ভুয়ো কনের খোঁজ মিলেছে অনেকক্ষেত্রে। তবে এবার এসবের জেরে অত্যন্ত সতর্ক হয়ে পা ফেলতে চাইছে প্রশাসন।