সবার নজর এখন GTA নির্বাচন, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই বিমল গুরুং এর

3 Min Read

ওয়েব ডেস্ক: পাহাড় আসন্ন GTA-র নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলি ইতিমধ্যে তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে। এখানে দীর্ঘ দিন ভোট হয়নি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেই বেজে উঠতে পারে ভোটের দামামা। এর এই ভোটেই নিজের হারান জমি ফিরে পেতে চাইছে বিমল গুরুং। ইতি মধ্যে সেই বাপারে তিনি কাজও শুরু করে দিয়েছেন।

সবার নজর এখন gta নির্বাচন, অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই বিমল গুরুং এর

তবে বিনয় পন্থীরাও এই বাপারে পিছিয়ে নেই। এদিকে, বৃহস্পতিবার কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন গুরুংয়ের সহচর রোশন গিরি। সূত্রের খবর, পাহাড়ের স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার জন্য অভিষেকের মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের রাশ প্রয়াত সুভাষ ঘিসিংয়ের হাত থেকে তাঁর কাছে যাওয়ার পর থেকে পাহাড়ের সর্বেসর্বা ছিলেন বিমল গুরুং। ২০০৭ সাল থেকে রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিরোধে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু, ২০১৭ সালে আন্দোলনকে চরম আকার ধারণ করে। সে সময় রোশন গিরি সহ মোর্চার প্রথম সারির বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিশ জারি করে রাজ্য সরকার। এরপর থেকেই প্রায় তিন বছর পাহাড় ছাড়া ছিলেন বিমল-রোশনরা।

বামশূন্য বিধানসভায় জ্যোতি বসুর জন্মদিন পালনে হল না কোন খামতি

বিমল গুরুং পাহাড় ছাড়া হওয়ার পর থেকেই বিমলের ছায়াসঙ্গী বিনয় তামাং ও অনিত থাপা পাহাড়ে নিজেদের রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। তিন বছর পর বিমল যখন পাহাড়ে ফিরলেন তখন দলের অধিকাংশ নেতা-কর্মীরাই তখন বিনয়ের শিবিরে। তার সংগঠনও সেইসময় ভেঙে পরেছে।

এই পরিস্থিতিতে পাহাড়ে নিজের হারানো জায়গা ফিরে পেতে তৎপর বিমল গুরুং। যেহেতু GTA নির্বাচন সামনে তাই নির্বাচনের আগে দলকে আবারও চাঙ্গা করতে পাহাড়ের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরছেন সংগঠন কে চাঙ্গা করতে বাস্ত তিনি।

বাসে পা দিলেই ভারা দিতে হচ্ছে ১৫ টাকা, কোথাও দ্বিগুণ, সমস্যাই নিত্য যাত্রী

ওই এলাকায় গুরুং যাওয়ার পর বিনয় পন্থী নেতা ভূপেন পি খানাল তামাংয়ের দলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে এদিন গুরুংয়ের শিবিরে ফিরে আসেন। এছাড়াও এদিন বিনয় শিবির ছেড়ে বিমল শিবিরে যোগ দেন নর্দান লামা, ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রভীন রহপাল, সরন প্রধান ও সোনাম ইয়াখা।

এদিন বিমল গুরুং বলেন, ‘যারা আজ দলে যোগ দিলেন তারা দীর্ঘদিন ধরেই আমার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভাষা ও জনজাতির জন্য কাজ করেছেন। তাই তাঁদের সাদর আমন্ত্রণ জানাই’। রাজনৈতিক মহলের আকংশ মনেকরছে, বিমল গুরুং এর পাহারে ফিরে আসার কিছুটা প্রভাব বিনয় সিবিরে পরবেই।

Share This Article