ওয়েব ডেস্ক: আবারও জাতীয় স্তরে স্বীকৃতি পেল বাংলার আরেক প্রকল্প। গত বিধানসভা ভোটের আগে চালু হয়েছিল ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। সরকারের পরিষেবা পৌঁছে যাবে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। শেষ হবে হয়রানির দিন। এটাই ছিল এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য। এবার ভারত সরকারের ‘অ্যাওয়ার্ড অফ এক্সেলেন্স’ প্রাপ্তির খবর জানিয়ে টুইট করল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। জাতীয় পুরস্কারটি রাজ্যবাসীকে উৎসর্গ করেছে শাসকদল।
জাতীয় ক্ষেত্রে অত্যন্ত নামকরা এই সংস্থা, সিএসআই(CSI)। এখানে বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, সফটওয়্যার ডেভেলপার. প্রজেক্ট ম্যানেজার মিলিয়ে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজার। দেশের জ্ঞানী, গুণী মানুষরা রয়েছেন এই সংস্থা। এর আগেও রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্প কেন্দ্রের পুরস্কার পেয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে একাধিকবার রাজ্যের ঝুলিতে এসেছে ‘স্কচ অ্যাওয়ার্ড’। আর এবার সাম্প্রতিকতম সরকারি প্রকল্প খুব কম সময়ে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য কেন্দ্রের নজর কাড়ল। ‘অ্যাওয়ার্ড অফ এক্সেলেন্স’ দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে।
করনাকালে বিধিনিষেধের মধ্যেই নির্দিষ্ট সময়সূচী অনুযায়ী বাংলায় পৌরনিরবাচন, জানালো কমিশন
স্বাস্থ্য সাথী, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, খাদ্যসাথী, কৃষক বন্ধু, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ নানা সরকারি পরিষেবা এই দুয়ারে সরকার প্রকল্পের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এতদিন সরকারি নানা পরিষেবা কীভাবে পাওয়া যায় তা বুঝতে পারতেন না সাধারণ মানুষ। সেই পরিষেবা দেওয়ার জন্য এবার ক্যাম্পের বন্দোবস্ত করেছে সরকার। ভোটে জিতে তৃতীয়বার সরকার গঠনের পর তা চালু হয়। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির। সমাজের প্রান্তিক মানুষও যাতে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয় সেকারণে সরকারি দফতরই উঠে আসছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়।
