ওয়েব ডেস্ক: দুর্গা পুজোর আগেই সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়াদলা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু করার বিষয়ে বদ্ধপরিকর ছিল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সেই মতো খুব শীঘ্রই ফুলবাগান ও শিয়ালদহের মধ্যে মেট্রো চলাচলের মহড়া শুরু হই। এবার মিলেছে অগ্নি-সুরক্ষা সংক্রান্ত ছাড়পত্র। সেক্টর ফাইভ থেকে শিয়ালদহ পর্যন্ত মেট্রো সফর কি এখন সময়ের অপেক্ষা সূত্রের খবর, প্রায় সব কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় শিয়ালদা স্টেশন চালু হওয়ার মুখে। সেফটি কমিশনারের সবুজ সঙ্কেত পেলেই মেট্রো চলতে শুরু করবে।
তৈরি হয়ে গেছে স্ক্রিন ডোর। যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে চলমান সিঁড়ি, ঝকঝকে স্টেশন। তবে কি ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোয়, দ্রুত সেক্টর ফাইভের সঙ্গে জুড়ে যাবে শিয়ালদা স্টেশন? সম্প্রতি, অগ্নি-সুরক্ষা সংক্রান্ত ছাড়পত্র হাতে এসে যাওয়ায় সেই জল্পনাই উস্কে দিয়েছে।
পৃথিবীর কাছে দিয়ে যাচ্ছে তিনটি গ্রহাণু, গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০০০ কিমি
মেন, নর্থ ও সাউথ শাখা থেকে রোজ লক্ষ লক্ষ নিত্যযাত্রী আসনে শিয়ালদা স্টেশনে। শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশন চালু হলে, তা হবে কলকাতায় ঢোকার অন্যতম প্রধান প্রবেশ দ্বার। যাত্রীর চাপও থাকবে প্রচুর। মেট্রো কর্তৃপক্ষ মনে করছে, ২০২৫ সালে শিয়ালদা মেট্রো স্টেশনে প্রতি ঘণ্টায় ১৭ হাজার লোক ঢুকবে এবং ২২ হাজার লোক বেরবে। এ কথা মাথায় রেখেই শিয়ালদহ স্টেশন নিয়ে বাড়তি মনোযোগ দিয়েছেন রেলের ইঞ্জিনিয়াররা। সূত্রের খবর, সবচেয়ে বেশি টিকিট কাউন্টার, চলমান সিঁড়ি, ঢোকা-বেরোনোর পথ থাকবে শিয়ালদা স্টেশনে। এছাড়াও থাকছে ৫টি লিফট।
ডায়াবেটিস রোগীদের এই ৬টি তেতো জিনিস খেতে হবে, সুগার লেভেল দ্রুত কমবে
সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার পথে এখন মেট্রো চলছে। সূত্রের খবর, যাত্রী কম হওয়ায় এই রুট ততটা লাভজনক নয়। শিয়ালদায় মেট্রো চালু হয়ে গেল যাত্রী সংখ্যা অনেকটা বাড়বে। এখন অপেক্ষা কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটির ছাড়পত্রের। তাহলেই প্রথমবার শিয়ালদা থেকে ছুটবে মেট্রো। অন্যদিকে, বৌবাজার বাড়ি ভেঙে যাওয়ার পর এখনও সেই অংশের কাজ শেষ করা যায়নি। সেই অংশের কাজ শেষ হলে তবেই শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পাতাল পথে জুড়ে দেওয়া সম্ভব। আর তার পরেই সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দান, সম্পূর্ণ রুটে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে। তবে তার জন্য যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন, এমনই মত নির্মাণকারী আধিকারিকদের। শিয়ালদহ রেল স্টেশনের গায়েই তৈরি হচ্ছে এই ভূ-গর্ভস্থ এই মেট্রো স্টেশন। এই স্টেশন চালু হলে কলকাতা ও শহরতলির গণপরিবহণ ব্যবস্থা অনেকটা পালটে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
