ওয়েব ডেস্ক: মন্ত্রিত্ব চলে যাওর পর থেকেই জল্পনা চলছিল। আজ শনিবার দুপুরে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন আসানসোলের বিজেপি সাংসদ তথা মোদী সরকারের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবু সুপ্রিয়। ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে বাবু সুপ্রিয়র হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দিলেন স্বয়ং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মাহেন্দ্রক্ষণে উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েনও।
সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার রদবদল করলে মন্ত্রিত্ব খোয়ান বাবু। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই এ নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আনেন মোদী মন্ত্রীসভার দু’বারের মন্ত্রী। গত ৩১ জুলাই বাবু সুপ্রিয় ফেসবুকে লিখেছিলেন, চললাম আলবিদা। অবশ্য বাবু এও বলেছিলেন, রাজনীতি না করলেও সমাজসেবায় দেখা যাবে তাঁকে। আজকের ঘটনায় এটুকু পরিষ্কার, বাবু চাইলেও রাজনীতি ছাড়তে চাইছে না তাঁকে। ততক্ষণে উদ্যোগী হয়ে ওঠেন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। জরুরি বৈঠকে বসেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
সেই বৈঠক থেকে বেরিয়ে বাবু জানান, তিনি রাজনীতি ছেড়ে দিলেও সাংসদ পদ ছাড়ছেন না। সঙ্গে এটাও বলেছিলেন যে, তিনি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না। শুক্রবার সন্ধ্যা বেলায় বাবু সুপ্রিয় নিরাপত্তা কমানোর জেড ক্যাটাগরি থেকে কমিয়ে ওয়াই ক্যাটাগরি করা হয়। জল্পনা চলছিল তখন থেকেই।
জোটে নয়, আগামী দিনে সংগঠনকে মজবুত করার ভাবনা বামেদের
শনিবার বাবুলের যোগদান চমক শুধু বিজেপি-র কাছেই নয়, চমক তৃণমূলের কাছেও। ঠিক ভবানীপুর উপনির্বাচনের আগে এমন চমক শাসক বিরোধী কেও আশা করেনি। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়ালের হয়ে বাবুলকে প্রচারে নামার ডাক দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য নেতৃত্ব। তারকা প্রচারক হিসেবে তালিকায় নামও ছিল তাঁর। কিন্তু সেই প্রস্তাবে বাবু সুপ্রিয় সরাসরি না করে দ্যায়।