রেড ভলান্টিয়ার্সদের সাহায্যে ১৩ দিন ধরে রাস্তায় পড়ে থাকা প্রৌঢ় ফিরলেন বাড়ি

2 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: করোনার লকডাউনের শুরু থেকেই রেড ভলান্টিয়ার্স একটা পরিচিত নাম। কখনও দুস্থ রোগীর পাশে, কখনও অক্সিজেন নিয়ে পৌঁছে যাওয়া মুমূর্ষু রোগীর পাশে, আবার লক-ডাউনে দুস্থদের মুখে দু-বেলা খাবার তুলে দেওয়া সব দিক থেকেই যেন তাড়াই আগে। সেরকমই এইবার ১৭ তারিখ থেকে নিখোঁজ থাকা অসুস্থ প্রৌঢ়কে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল তাড়া।

রেড ভলান্টিয়ার্সদের সাহায্যে ১৩ দিন রাস্তায় পড়ে থাকা প্রৌঢ় ফিরলেন বাড়ি

গত রবিবার পশ্চিম হাওড়ার রেড ভলান্টিয়ার্সের সদস্যরা সন্ধ্যায় একটি ফোন পান। জানানো হয়, হাওড়ার কদমতলায় ব্যাটরা পাবলিক লাইব্রেরির সামনে রাস্তার ধারে পরে রয়েছেন এক অসুস্থ প্রৌঢ়। খবর পেয়েই রেড ভলান্টিয়ার্সদের একটি দল তাঁর কাছে পৌঁছে যায়। অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা শুরু করে। হাসপাতালে যখন প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে, সেই সময় হোয়াটস গ্রুপে একটি ম্যাসেজ দেখে চমকে যান সকলে। দেখা যায়, তাঁরা যে ব্যক্তিকে উদ্ধার করেছে, তাঁরই মতো দেখতে এক ব্যক্তির পরিবার ছবি-সহ খবরের কাগজে নিখোঁজের বিজ্ঞাপন দিয়েছে। কাগজের সেই ছবি দেখে কিছুটা আন্দাজ করতে পারেন স্বেচ্ছাসেবী দলের সদস্যরা।

শুধু পার্টি অফিসে বসে দল চলবে না যেতে হবে প্রান্তিক মানুষের কাছে, নির্দেশ CPIM এর

রেড ভলান্টিয়ার্সদের এক সদস্য সাগরিকা রায় জানান, উদ্ধার করা ওই ব্যক্তিটি এতটাই মানসিকভাবে আহত ছিলেন, যে ঠিক করে নিজের নাম-ঠিকানা বলতে পারছিলেন না। তারপর কাগজে দেওয়া ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করা হয় তার পরিবারের সাথে। খবর পেয়েই সমীর সাহা নামে এক ব্যক্তি পৌঁছে যান নির্দিষ্ট জায়গায়। হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে সমীর সাহার দাদা অসিত কুমার সাহা। চোখের জল ফেলতে ফেলতে সমীর সাহা জানিয়েছেন, দাদা বয়সের ভারে কিছুটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। ১৭ অগাস্ট সকাল থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। থানায় মিসিং ডাইরি করা থেকে কাগজেও বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না। দীর্ঘ ১৩ দিন পর খোঁজ মিলল।

রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোট অটুট, এবার বার্তা দিয়ে স্পষ্ট করলেন অধীর

এই বাপারে রেড ভলান্টিয়ার সোমনাথ গৌতম জানান, রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিকে যে তার পরিবারের কাছে ফিরিযে দিতে পারব, তা ভাবতেই পারিনি। দীর্ঘদিনপর দুই ভাইয়ের মিলনে তাদের আবেগ দেখে আমাদেরও আনন্দে চোখে জল এসে গিয়েছিল। করোনা কালে অনেক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। কিন্তু এ ভাবে অসুস্থ হারিয়ে যাওয়া প্রৌঢ়কে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারব ভাবিনি। এই ভাবে মানুষের পাশে থাকতে পেরে আমরা ভীষণ খুশি।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
TAGGED:
Share This Article