সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ও কলকাতা পুলিশের যৌথ অভিযানে জাল নোট কারবারির পরদা ফাঁস

2 Min Read

ওয়েব ডেস্ক: সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা এবং কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এর অফিসাররা বুধবার ভোররাতে শহরের ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের পাশে একটি ফিশারির কাছে যৌথ অভিযানের সময় জন জাল নোট পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়েছে।

Army intelligence wing kolkata police nab fake currency smugglers

কিভাবে ধরা পড়ল জাল নোট পাচারকারীরা?‌ এসটিএফ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে খবর আসে শহরে জাল নোট ছড়াতে এসেছে দু’‌জন। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করে মঙ্গলবার মাঝরাতে প্রগতি ময়দান থানা এলাকার ক্যাপ্টেন ভেড়িতে ফাঁদ পাতা হয়। দুই যুবককে সেখানে এলে নজর রাখেন তদন্তকারীরা। তারপরই চারিদিক দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়। আর আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা শুরু হয়। কিন্তু কথায় বিস্তর অসঙ্গতি মেলায় ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। বেরিয়ে আসে থাক থাক জাল নোট।

পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (এসটিএফ) সলোমন নেসাকুমার বলেছেন, মহাসিন খান এবং তনয় দাস নামে দুজনের কাছ থেকে প্রায় ১১০০ টি জাল ৫০০ টাকার নোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত দুজনই উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ধারা 120B (অপরাধী ষড়যন্ত্র), 489B (প্রকৃত, নকল বা জাল নোট-নোট হিসাবে ব্যবহার করা) এবং 489C (জাল বা জাল নোট-নোট থাকা) এর অধীনে মামলা করা হয়েছিল।

কিডনি প্রতিস্থাপনের ‘নামে’ চুরির ঘটনা এবার লেকটাউনে

এবছর জানুয়ারি মাসের শেষে স্ট্র্যান্ড রোড থেকে গ্রেফতার করেছিল একজনকে। তার কাছ থেকেও ৫ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছিল। কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের গোয়েন্দারা অপারেশন চালিয়ে স্ট্র্যান্ড রোড থেকে অভিযুক্ত আফতাব আলমকে গ্রেফতার করেছিল। কলকাতায় একটি জাল নোট পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠেছে বলে মনে করছে এসটিএফ।

Share This Article