ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি বর্তমান রাজ্য সরকারের যতই সমালোচনা করুক কেন্দ্র কিন্তু রাজ্যের প্রশংসা করেই চলেছে। সেরকমই বুধবার ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কাছে প্রশংসাপত্র এলো নরেন্দ্র মোদীর সরকারের থেকে।
কিসের প্রশংসা পত্র এলো? প্রশংসা পত্র এলো রাজ্যের আর্থিক আয়–ব্যয়ের হিসাব নিয়ে। অগাস্ট মাসে কেন্দ্রীয় সরকারের অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের অফিস চিঠি পাঠিয়েছে নবান্নে। চিঠিটি পাঠিয়েছেন দেশের ডেপুটি অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (প্রশাসন) রাহুল কুমার। চিঠিতে গত আর্থিক বছরে(২০২০-২০২১) পশ্চিমবঙ্গের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ এবং রাজ্যের খরচের হিসাব ১০০ শতাংশ মিলে গিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিজেপি নেতারা যে অভিযোগ তোলেন, যে কেন্দ্রের পাঠান অর্থ খরচে রাজ্যের স্বচ্ছতা নেই সেকথা আর আদতে ধোপে টিকল না বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আর ক্যাম্পে নয়, এবার বাড়ি বাড়ি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ফর্ম দিচ্ছেন আশাকর্মীরা
নিয়ম অনুসারে রাজ্য সরকারের যাবতীয় খরচ–খরচার উপর নজরদারি করে কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল অফিস। সেখানে রাজ্য সরকারকে চিঠি পাঠিয়ে আর্থিক লেনদেনের হিসাব রাখার পদ্ধতি ও স্বচ্ছতা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কে বার্তি ডিভিডেন্ড দিলো বলেই মনেকরছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। চিঠিতে লেখা আছে, ‘২০২০–২১ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ প্রাপ্তি ও বরাদ্দ অর্থ খরচের ১০০ শতাংশ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। সব তথ্যই এসেছে অনলাইনের মাধ্যমে। স্বচ্ছতার সঙ্গে সব কিছু করা হয়েছে।’ অর্থাৎ আর বিরোধীরা এই ব্যাপারে অভিযোগ তুলতে পারবে না রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে।
শহরের রাস্তায় CCTV বসানোর ক্ষেত্রে বিশ্বের সব শহরকে টেক্কা দিল দিল্লি!
এই সংস্থা কোনও ক্ষেত্রে সমস্যা হলে, ব্যাখ্যাও চাইতে পারে রাজ্যগুলির কাছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে রাজ্য অর্থ দফতরকে নানা পরামর্শ এবং নির্দেশও দিয়ে থাকে। যা নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাতের পরিস্থিতি পর্যন্ত তৈরি হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে চিঠিতে কোনও পরামর্শ বা নির্দেশ দেওয়া হয়নি। বরং রাজ্য সরকার প্রশংসা করা হয়েছে।
