এবার ভ্যাকসিন প্রদানে নয়া রেকর্ড গড়ল বাংলা, পরিসংখ্যান দেখে নিন একনজরে

2 Min Read

ওয়েব ডেস্ক: একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে একদিনে ২ কোটি ২৫ লক্ষ করোনা ভ্যাকসিন প্রদানে রেকর্ড গড়েছিল দেশ। এবার করোনা ভ্যাকসিন প্রদানে নয়া নজির গড়ল পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হল সেই পরিসংখ্যান।

West bengal builds new record on corona vaccination

২০২১-এর ১৬ জানুয়ারি সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও কোভিড ভ্যাক্সিনেশন শুরু হয়। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত ৫ কোটিরও বেশি টিকাদান সম্পূর্ণ হয়েছে। এই পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, ১৬ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ১ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ করোনা ভ্যাক্সিনেশনে ১০৫ দিনে ১ কোটির আঁকড়া পার করে গিয়েছে রাজ্য। এরপর ১ মে থেকে ২৩ জুনের মধ্যে ২ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ১ কোটি হতে সময় লেগেছে মাত্র ৫৪ দিন।

শিশুদের জ্বর-শ্বাসকষ্ট তিনদিনের বেশি থাকলেই হাসপাতালে ভর্তি করার গাইডলাইন প্রকাশ রাজ্য

পরিসংখ্যান বলছে, একই ধারা বজায় রেখে ২৪ জুন থেকে ২ অগাস্ট পর্যন্ত মাত্র ৪০ দিনে ৩ কোটি টিকাদান সম্পূর্ণ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আর করোনা ভ্যাক্সিনেশনের সংখ্যা ৪ কোটিতে পৌঁছয় ৩১ অগাস্ট। এক্ষেত্রে সময় লাগে মাত্র ২৯ দিন। এক মাসেরও কম সময়ে চতুর্থ কোটি ভ্যাকসিনশন সম্পূর্ণ হয়েছে রাজ্যে।

তারপর অর্থাৎ ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও ১ কোটি করোনা ভ্যাকসিন প্রদান করে নজির সৃষ্টি করেছে বাংলা। শেষ ১ কোটি করোনা ভ্যাকসিনে সময় লেগেছে মাত্র ১৮ দিন। এখন পর্যন্ত মোট ৫ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ দেওয়া হয়েছে বাংলায়। এই ১৮ দিনের টিকাপ্রদান অভিযানে রাজ্য সরকার প্রতিদনই রেকর্ড গড়েছে আবার প্রতিদিনই রেকর্ড ভেঙেছে।

লক্ষ্মী ভাণ্ডারে ৫০০ টাকা আসার আগেই অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব ৫০০০! চাঞ্চল্য মহিষাদলে

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়েছে, করোনা ভ্যাক্সিনেশন চলছে জোরদার ভাবে। এদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১১.৫ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। যা রেকর্ড। ১৮ দিনে এক কোটি, তার মধ্যে শেষদিনে সাড়ে ১১ লক্ষ অতিক্রম করে গিয়েছে করোনা ভ্যাক্সিনেশনের সংখ্যা। স্বাস্থ্য দফতর আরও জানিয়েছে, রাজ্যবাসীর ভ্যাকসিন পাওয়ার যোগ্য ৫০ শতাংশ অন্ততপক্ষে একটি করে ডোজ পেয়েছে। রাজ্যে টিকাদানের মাত্রা আরও বাড়ানো হবে।

Share This Article
google-news