ফেসবুকে ব্যস্ত থাকা নিয়ে চরম অশান্তির জেরে স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী

2 Min Read

ওয়েব ডেস্ক: ঘটনা টি ঘটেছে হাওড়ার চ্যাটার্জি হাটে একটি ফ্ল্যাটে। ঘরের মেঝেতে পড়েছিল স্ত্রীর দেহ। ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় স্বামীর মৃতদেহ। দম্পতির বড় মেয়ের দাবি, মা সবসময় ফেসবুকে ব্যস্ত থাকতো। এনিয়ে অশান্তি হতো বাবার সঙ্গে।

Howrah man killed his wife and commits suicide

ঘটনা টি ঘটেছে রবিবার দুপুরে ১২/২ নন্দলাল মুখার্জি লেনের এক ফ্ল্যাট। তাদের দুই মেয়ে এদিন আড়াইটে নাগাদ ড্রয়িং ক্লাসে গিয়ে ফিরে এসে দেখে দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। কলিং বেল বাজিয়েও দরজা খোলেনি কেউ। এরপর পুলিসে খবর দিলে দরজা ভেঙে দেখা যায় মেঝেতে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মৌসুমি মাইতি। সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় গৌতম মাইতি।

পুলিস সূত্রে খবর, হাওড়ায় একটি পানশালায় ম্যানেজারের কাজ করতেন গৌতম বাবু। বছর তিনেক আগে সপরিবারে চ্যাটার্জি হাট এলাকায় ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। দুই মেয়ে হাওড়ার একটি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে নবম ও তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। পুলিস ও প্রতিবেশীদের অনুমান স্ত্রীকে হত্যা করে আত্মঘাতী হয়েছেন গৌতম বাবু।

‘পুলিস পিটিয়ে’ বড়দিনের রাতে কলকাতা শহরে গ্রেফতার পাঁচ মদ্যপ যুবক-যুবতী

মৌসুমি দেবীর বড় মেয়ে সংবাদমাধ্যমে জানায়, মা মোবাইলে ফেসবুক দেখতো। যেমন অনেকে করে, ফেসবুক স্ক্রল করে যেত। এনিয়ে বাবার প্রবল আপত্তি ছিল। বাবা বলতো তুমি ফেসবুক দেখবে না। ফোন ঘাঁটবে না। মেয়েদের পড়াবে। মা সবই করতো। তার পরেও হয়তো বাবার কোনও প্রবলেম ছিল।

দিঘায় বেড়াতে এসে মর্মান্তিক পরিণতি! কাঁকড়া খেয়ে মৃত্যু রামপুরহাটের তরুণীর

প্রতিবেশী পিন্টু মণ্ডলের দাবি, সবটাই শোনা কথা। ভদ্রলোক সারাদিন ব্যস্ত থাকতেন। হোটেলে চাকরি করতেন। স্ত্রী সম্ভবত সোশাল মিডিয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। এনিয়ে সবার বাড়িতে যেমন হয় তেমনটাই হয়তো হতো। ওনার মেয়েও একই কথা বলছে।

Share This Article