দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন এই সব খাবার

4 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: চোখকে সুস্থ রাখতে ও চোখের অবস্থার বিকাশের ঝুঁকি কমাতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। চোখের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট-যুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। দৃষ্টিশক্তিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইন্দ্রিয়গুলির মধ্যে একটি।

Foods that will help you to improve your eyesight

চোখের সমস্যার সমাধান শুধু চশমার গ্লাসে নয় বরং আয়ুর্বেদের পাতায় রয়েছে। বেশ কিছু উপকরণ প্রতিদিনের খাবারের মতই গ্রহণ করতে পারলে চোখের দৃষ্টিশক্তি যেমন বাড়ে তেমন অন্যান্য সমস্যাও হ্রাস পায়। সেগুলি কি কি?

ত্রিফলা: ত্রিফলা পাউডারের সঙ্গে ঘি এবং মধু মিশিয়ে রাত্রিবেলা সেবন করলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।

আমলকী: এটি ভিটামিন সি এর এক দারুণ উৎস, বলা উচিত একটি কমলালেবুর থেকেও বেশি পুষ্টিকর। তাই এটি খেতে পারলে আপনার পক্ষে বেশ ভাল। এটি রেটিনাল কোষগুলিকে পুষ্টি প্রদান করে, সঙ্গেই ডায়াবেটিস এবং রেটিনোপ্যাথি প্রয়োগে সহায়ক।

ডার্ক চকোলেট: মস্তিষ্ক ও চোখের রেটিনার রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ডার্ক চকোলেটে বিদ্যমান ভিটামিন এ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন থেকে চোখকে রক্ষা করে।

দুগ্ধজাতীয় খাবার: দুধ, দই, পনির ও এই জাতীয় অন্যান্য দুগ্ধজাত দ্রব্যগুলিতে ভিটামিন এ ও জিঙ্ক থাকে যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ভিটামিন এ চোখের কোর্নিয়াকে রক্ষা করে। অন্যদিকে জিঙ্ক সেই ভিটামিনের উপতারিত চোখের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করে।

বীজ: চিয়া, সূর্যমুখী, কুমড়ো, তিল ইত্যাদি জিঙ্ক, ওমেগা-৩ ও ভিটামিন ই-র ভাল উৎস। স্যালাদের সঙ্গে বা স্মুদিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। ডেজার্টের সময়ও ব্যবহার করতে পারেন।

সবুজ শাক-সবজি: পালং শাক- সহ অন্যান্য সবুজ শাক-সবজিতে লুটেইন ও জেক্সানথিন রয়েছে, যা ছানির প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে।

সাইট্রাস-যুক্ত ফল: সাইট্রাস ফল এবং বেরিতে পাওয়া ভিটামিন সি চোখের ডিজেনারেটিভ রোগের বিরুদ্ধে সাহায্য করে। চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে কমলা লেবু, মৌসুম্বি লেবু এবং পাতিলেবু খান।

সৈন্ধব লবণ: একমাত্র এই নুন চোখের জন্য সবথেকে বেশি ভাল। এটি দিয়ে রান্না করলে সেটি চোখ এবং ব্লাড প্রেশারের পক্ষে ভাল।

কিসমিস: এটিতে থাকা পলিফেনলিক ফাইট নিউট্রীয়েন্ট চোখের রেডিক্যাল থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে। চোখের দৃষ্টিতে জ্যোতি নিয়ে আসে, একে অবক্ষয়ের হাত থেকে বাঁচায়। সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে বেশ কার্যকরী।

ডিম: ডিমে রয়েছে লুটিন এবং ভিটামিন এ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। যা রাতকানা, শুষ্ক চোখ এবং চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য থেকে রক্ষা করে।

লাল ও কমলা রঙের সবজি: গাজর, টমেটো, লাল বেলপিপার, স্ট্রবেরি, কুমড়ো, ভুট্টাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি। এগুলিতে ক্যারোটিনয়েডও রয়েছে।

রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম জল পান করুন, স্বাস্থ্যের ৭টি অসাধারণ উপকার পাবেন

মধু: এটি চোখের পক্ষে বেশ গুণমান সম্পন্ন। মধু চোখের রেটিনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যকে ভাল রাখে তাই এটি সেবন করলে আপনার লাভ হয়।

ঘি: হজম শক্তি যদি ভাল হয় তবে ঘি সেবনে চোখের সমস্যা কমে! দৃষ্টিশক্তি বাড়ে, অনেক ওষুধেও ঘি ব্যবহার করা হয়।

বাদাম: বাদামে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন ই। এই উপাদানই চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়তা করে। একমুঠো বাদাম, আখরোট, পেস্তা, কাজুবাদাম ইত্যাদি নিয়মিত খেতে পারেন। তবে প্যাকেট-জাত, ভাজা বা নোনতা বাদাম থেকে এড়িয়ে থাকুন।

বেরিজ: সমস্ত বেরিজে থাকে ভিটামিন সি। চোখ-সহ শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমের সঠিক কার্যকারিতার জন্য অপরিহার্য। ম্যাকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার ঝুঁকিও কমাতে সক্ষম। ছানি, ঝাপসা বা দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন এমন ব্যক্তিদের প্রতিদিনের ডায়েটে বেরিজ যোগ করতে পারেন। এছাড়া দইয়ের সঙ্গে যোগ করতে পারেন। বা স্মুদিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

সবুজ টমেটো ভিটামিন এ, সি এর ভাণ্ডার, রক্ত জমাট বাঁধার মতো ৫ টি রোগ থেকে মুক্তি দেবে

ডিম: ডিমে রয়েছে লুটিন এবং ভিটামিন এ অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। যা রাতকানা, শুষ্ক চোখ এবং চোখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য থেকে রক্ষা করে।

লাল ও কমলা রঙের সবজি: গাজর, টমেটো, লাল বেলপিপার, স্ট্রবেরি, কুমড়ো, ভুট্টাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি। এগুলিতে ক্যারোটিনয়েডও রয়েছে।

অবশ্যই যদি বেশি অসুবিধা হয়, কিংবা চোখে অস্বস্তি অনুভব করেন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article