Table of Contents
সরকার বাজারে অ্যান্টিবায়োটিক(Antibiotics) শনাক্ত করার জন্য একটি ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা করছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারে যে ওষুধটি অ্যান্টিবায়োটিক কিনা।
এই উদ্দেশ্যে নির্দেশিকা জারি করার জন্য সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনকে (CDSCO) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র অনুযায়ী, সরকার প্রস্তাব করেছে যে অ্যান্টিবায়োটিকের প্যাকেজিংয়ে বিশেষ কোডিং, রঙের নির্দেশক বা স্পষ্ট চিহ্ন থাকা উচিত, যাতে রোগী এবং ফার্মাসিস্ট উভয়ই তাৎক্ষণিকভাবে ওষুধের বিভাগটি বুঝতে পারেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সূত্র অনুসারে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের (AMR) ক্রমবর্ধমান হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
সরকার কেন এই সিদ্ধান্ত নিলো
অ্যান্টিবায়োটিকের(Antibiotics) ঘন ঘন এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের ফলে ব্যাকটেরিয়াগুলো ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে, যার ফলে সাধারণ সংক্রমণও প্রাণঘাতী পরিস্থিতিতে পরিণত হচ্ছে। সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে বাজারে উপলব্ধ প্যাকেজিং দেখে সাধারণ রোগীরা অ্যান্টিবায়োটিক এবং সাধারণ ব্যথানাশক বা সহায়ক ওষুধের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন না। এই বিভ্রান্তির সুযোগ নিয়ে অনেক জায়গায় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই বিষয়ে সরকার এবং CDSCO-এর মধ্যে আলোচনা
সরকার এবং সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO) বেশ কয়েকটি বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছে। জানা গেছে, এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিকের(Antibiotics) জন্য ভিন্ন রঙের স্ট্রিপ বা বাক্স ব্যবহার করা, প্যাকেজিংয়ে স্পষ্ট সতর্কতা বা প্রতীক, QR কোড বা আলফানিউমেরিক কোড ব্যবহার করে ওষুধের বিভাগ শনাক্ত করা। এর উদ্দেশ্য হলো রোগীদের আরও সচেতন করা এবং তাদের অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ থেকে বিরত রাখা। সরকার নতুন দিল্লির ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চকে (ICMR) সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ভাষায় বার্তা তৈরি করতেও বলেছে।