Table of Contents
সুস্থ থাকার জন্য সারাদিন প্রচুর জল পান করা বাঞ্ছনীয়। কিন্তু আপনি কি জানেন যে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জল পান করা শরীরের জন্য কম জল পান করার মতোই বিপজ্জনক হতে পারে? সম্প্রতি, বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জল পান করলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
কতটা জল পান করা ঠিক?
ডঃ পাল ব্যাখ্যা করেছেন যে শরীরের প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জল পান করলে কিডনির উপর চাপ বাড়ে এবং মস্তিষ্কের উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। চিকিৎসার ভাষায় একে হাইপোনেট্রেমিয়া বলা হয়। এই অবস্থায় ক্লান্তি, মাথা ঘোরা এবং মাথাব্যথার মতো লক্ষণ দেখা যায়। প্রতিটি ব্যক্তির কতটা জল পান করা উচিত তা তাদের বয়স, ওজন, কার্যকলাপ এবং আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। সাধারণত, সারাদিনে ২.৫ থেকে ৩ লিটার জল যথেষ্ট বলে মনে করা হয়।
অতিরিক্ত জল পানের অসুবিধা
- কিডনির উপর চাপ – অতিরিক্ত জল কিডনিকে আরও বেশি কাজ করতে বাধ্য করে
- রক্তচাপের ভারসাম্যহীনতা – অতিরিক্ত জলের কারণে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা রক্তচাপের ওঠানামা করতে পারে
- মস্তিষ্কের উপর প্রভাব – গবেষণা অনুসারে, অতিরিক্ত জলে মস্তিষ্কের কোষগুলিকে ফুলে যেতে পারে, যা মাথাব্যথা এবং বিভ্রান্তির কারণ হতে পারে
কি লক্ষণগুলি বুঝতে হবে যে আপনি খুব বেশি জল পান করছেন?
- ঘন ঘন প্রস্রাব
- হাত ও পা ফুলে যাওয়া
- ক্রমাগত ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা
- মাথায় ভারী ভাব
আরও পড়ুন : ডায়াবেটিসের সমস্যা কে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ৪টি সুপারফুড, যা আপনার যানা দরকার
স্বাস্থ্যকর উপায়ে জল পান করার টিপস
- তৃষ্ণার্ত হলেই জল পান করুন, বাধ্য হয়ে নয়
- একবারে খুব বেশি জল পান করবেন না, সারা দিন অল্প পরিমাণে পান করুন
- গ্রীষ্মে নারকেল জল, বাটারমিল্ক বা লেবু জলের মতো স্বাস্থ্যকর পানীয় অন্তর্ভুক্ত করুন
- জলের পরিমাণ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন এবং অতিরিক্ত পান করা এড়িয়ে চলুন
Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং পরামর্শগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের ভিত্তিতে লেখা, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। এটি অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
