Table of Contents
এখন শীতকাল, আর মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এসেছে। তারা মিষ্টি এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার খাচ্ছে। ডায়াবেটিস রোগীদেরও মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হয়, কিন্তু মিষ্টি তাদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই, এই মৌসুমে মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করলে আপনার খাদ্যতালিকায় কি কি অন্তর্ভুক্ত করবেন, যাতে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায় এবং আপনার শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, তা আমরা আপনাকে জানাব। এই বিষয়ে এন্ডোক্রিনোলজিস্ট ডঃ অমিত কুমারের কিছু কথা বলেছেন।
ডঃ অমিত ব্যাখ্যা করেন যে, শীতকালে শরীরে শর্করা-সমৃদ্ধ খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। এর ফলে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা হয়। তবে, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে মিষ্টি খাবার রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দিতে পারে। এটি তাদের উচ্চ শর্করার মাত্রা, সেইসাথে হৃদরোগ এবং কিডনির ক্ষতির ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। তাই, ডায়াবেটিস রোগীদের শীতকালে তাদের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাদ্যাভ্যাসের দিকে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন?
যদি আপনার ডায়াবেটিস থাকে এবং মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করে, তবে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে অল্প পরিমাণে গুড় খেতে পারেন। এছাড়াও, আপেল, নাশপাতি এবং পেয়ারার মতো কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত ফল খান। আপনি দিনে একটি খেজুরও খেতে পারেন। এই খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি প্রোটিনও অন্তর্ভুক্ত করুন। এর জন্য ডাল, ছোলা এবং সালাদ খান। দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে না থাকার চেষ্টা করুন এবং প্রতি ৩ ঘণ্টা অন্তর হালকা খাবার খান। এছাড়াও, একবারে খুব বেশি খাবার খাবেন না। পেট কিছুটা খালি রাখুন। প্রচুর পরিমাণে জল পান করার কথা মনে রাখবেন এবং দিনে অন্তত সাত গ্লাস জল পান করুন।
আরও পড়ুন : প্রাকৃতিক বোটক্স ফেস মাস্ক, বাড়িতেই তৈরি করুন এই বিশেষ ক্রিম, আপনার মুখ দেখাবে অসাধারণ
ডঃ অমিতের মতে, এই মৌসুমে ডায়াবেটিস রোগীদের তাদের স্বাস্থ্যের বিশেষ যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। কারণ কখনও কখনও, মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছার কারণে মানুষ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে অসতর্ক হয়ে পড়ে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা বিপজ্জনক হতে পারে।
এছাড়াও এই বিষয়গুলো মনে রাখবেন:
- প্রতি দুই দিন অন্তর আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন।
- সময়মতো আপনার ওষুধ খান।
- অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুমান।
- বাড়ির ভেতরে অন্তত ১৫ মিনিট ব্যায়াম করুন।
Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।
