দল বিরোধী মন্তব্য করায় তন্ময় ভট্টাচার্যের ৩ মাসের জন্য সেন্সরের সিদ্ধান্ত সিপিএম এর

3 Min Read

ওয়েব ডেস্ক : জানা যাচ্ছে, বিধানসভা ভোটে বামেদের ভরাডুবির পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় Tanmoy Bhattacharya কে ৩ মাসের জন্য সেন্সর করল সিপিএম। এর ফলে আগামিদিনে দলীয় কোনও কর্মসূচি বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারবেন না তিনি।

Cpm takes step against tanmoy bhattacharya for 3 months for-speaking out against top leadership

সিপিএম সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের মন্তব্যেরও সমালোচনা করা হয় রাজ্য কমিটির বৈঠকে। শুধু তাই নয়, সংবাদমাধ্যমেও কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না তিনি। এরপরেও যদি কোনও বক্তব্য দেন তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেবে দল। এই বিষয়ে ইতিমধ্যে বর্ষীয়ান এই বাম নেতাকে সতর্ক করা হয়েছে।

বিধানসভা ভোটে বাংলাতে মুখ থুবড়ে পড়েছে বামেরা। এই প্রথম বামেদের ছাড়া বিধানসভার অধিবেশন বসছে। ফল প্রকাশের পরেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় সহ একাধিক বাম কর্মী। যা মোটেই ভালো চোখে দেখেনি আলিমিদ্দিন। ভোটের পর এদিনই প্রথম বৈঠকে বসে সিপিএমে রাজ্য কমিটি। যেখানে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়।

আব্বাসের সাথে জোট নিয়ে ঝড় সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে

Tanmoy Bhattacharya এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের বিষয়টিও উঠে আসে। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার সাহস দেখাতে পারেননি বিমান বসু-সূর্যকান্তরা। এ নিয়ে কান্তির সংগে আলোচনা করেই বিষয়টিতে ইতি টেনেছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। ভোটে হারের পরে ফেসবুকে মন্তব্য করেছিলেন বর্ধমানের অমল হালদার ও অপূর্ব চ্যাটার্জি। তারপরে তাঁরা ক্ষমাও চেয়ে নেন। এদিনের বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ উঠলেও তাই তাতেই বিষয়টি ইতি হয়।

রাজ্যগুলি কে বিনামূল্যে Covid টিকা দিক কেন্দ্র, দাবি তুলে ১১ মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বিজয়নের

প্রসঙ্গত, দলের ব্যর্থতার জন্য রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তন্ময় ভট্টাচার্যর সরব হওয়ার পরই তাঁর পথেই হাঁটেন আর এক প্রবীণ নেতা কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি রাজ্যে বিজেপিকে রুখে দেওয়ার জন্য তৃণমূলকে কুর্নিশ জানিয়েছেন। রায়দিঘির প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, “বস্তুনিষ্ঠ অনুসন্ধান দরকার। গোল গোল কথা বললে হবে না। দায় নিতে হবে নেতৃত্বকেই।’’

Alapan Bandyopadhyay ইস্যুতে একই সুরে সরব বাম-কংগ্রেসও

সূত্রের খবর, এদিনের রাজ্য কমিটির বৈঠকে আইএসএফের সঙ্গে জোট করা নিয়েও আলোচনা হয়। এদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলা সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে কার্যত একের পর এক বিষয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই বলেন, এই জোটে আদতে দলের পক্ষে ক্ষতি হয়েছে।

তাতে দলের ধর্মনিরপেক্ষতা ভাবমূর্তিতেও আঘাত লেগেছে বলেও ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন একাধিক বাম নেতা। আর তার খেসারত ভোট বাক্সে পড়েছে বলে মনে মরা হচ্ছে।

পাকিস্তান-বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আবেদনের নোটিশ জারি , তালিকায় নাম নেই বাংলার!

তবে আগামি দিনে আইএসএফের সঙ্গে জোট থাকা কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যদিও আগেই আইএসএফ সুপ্রিমো আব্বাস সিদ্দিকী জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী দিনে বামেদের সঙ্গেই তাঁরা জোটে থাকবেন।

TAGGED:
Share This Article