Table of Contents
চোখ(Eye) শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অঙ্গ। আজকাল, শিশুরা অল্প বয়সে চশমা পায়। তাড়াতাড়ি চশমা পড়ার কারণ হল দুর্বল চোখ। রুচির স্বার্থে মানুষ পুষ্টিকর খাবার খায় না এবং ক্রমাগত স্ক্রিন টাইমও এর কারণ। চোখের অস্বস্তির অনেক কারণ রয়েছে। আপনার দৈনন্দিন কিছু অভ্যাস চোখের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। মানুষ এই সাধারণ অভ্যাসগুলিকে উপেক্ষা করে।
এই দৈনন্দিন অভ্যাসগুলি চোখের জন্য ক্ষতিকারক
আপনি সাধারণত আপনার এই দৈনন্দিন অভ্যাসগুলিকে উপেক্ষা করেন। কিন্তু এগুলি চোখের জন্য ক্ষতিকারক প্রমাণিত হয়। এই অভ্যাসগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি হল স্ক্রিন টাইম। আজকাল, ৯৯ শতাংশ মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে একটানা মোবাইল, কম্পিউটার বা টিভি ব্যবহার করেন। স্ক্রিনের দিকে ক্রমাগত তাকিয়ে থাকার ফলে চোখে(eye) শুষ্কতা দেখা দেয়। চোখের রেটিনা শুষ্ক হয়ে যায়, যার ফলে ক্লান্তি আসে এবং মাঝে মাঝে ঝাপসা হয়ে যায়। কিছু মানুষের চোখ ঘষার অভ্যাস থাকে। ঘন ঘন চোখ ঘষার ফলে চোখ ব্যথা বা কনজাংটিভাইটিসের মতো সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মহিলারা সুন্দর দেখাতে চোখে নিম্নমানের মাসকারা লাগান, ধূমপান, রোদে সানগ্লাস পরা এবং অতিরিক্ত কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার চোখের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও, শরীরে লুটিন এবং ওমেগা-3 এর মতো পুষ্টির অভাব দৃষ্টিশক্তি দুর্বল করে।
আরও পড়ুন : হরমোন ভারসাম্যের জন্য প্রতিটি মহিলার অবশ্যই এই আয়ুর্বেদিক প্রতিকারগুলি গ্রহণ করা উচিত, জানুন
চোখ সুস্থ রাখতে এই প্রতিকারটি করুন
আজ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। কেবল শারীরিক সৌন্দর্যই নয়, শরীরের প্রতিটি অংশকে সুস্থ রাখা প্রয়োজন। চোখ সুস্থ রাখতে আপনার দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন। আপনার খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরণের রঙিন ফল, শাকসবজি এবং শস্য অন্তর্ভুক্ত করুন। এই রঙগুলি চোখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ রেটিনাকে পুষ্ট করে। চোখের স্বাস্থ্যের জন্য, আপনি আপনার খাদ্যতালিকায় গাজর, আম, মিষ্টি আলু এবং সবুজ শাকসবজির মতো খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। এ ছাড়া, ভিটামিন A এবং E সমৃদ্ধ খাবার খান, পর্যাপ্ত জল পান করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান।
Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং পরামর্শগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের ভিত্তিতে লেখা, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। এটি অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
