খাবার প্রেমীদের জন্য শীতকাল সেরা ঋতু। শীতকালে মশলাদার ও সুস্বাদু খাবার খেতে বেশ মজা লাগে। কিন্তু স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের দিকেও খেয়াল রাখা উচিত। শুধু বড়রাই নয়, চিকিৎসকরাও শীতকালে সবুজ শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন। এই সবজিগুলো শুধু আমাদের স্বাদেরই উন্নতি ঘটায় না, বরং আমাদের শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী, উষ্ণ এবং সুস্থ রাখে।
আমাদের খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পাঞ্জাবের জনপ্রিয় ‘সরসোঁ দা সাগ’ এখন গুজরাটেও ব্যাপকভাবে খাওয়া হয়। সরিষার শাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এটি হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এই সবজিতে এমন উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগ থেকে রক্ষা করে। শীতের দিনে এটি খেলে অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মেথির প্রভাব উষ্ণ হওয়ায় শীতকালে এর সেবন খুবই উপকারী। ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় আমরা শরীরে বেশি অলসতা অনুভব করি। তাই শরীরে শক্তি জোগাতে মেথি সেরা বিকল্প। এটি হজমশক্তি উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সেরা, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
আমরা মূলো খাই কিন্তু এর পাতা ফেলে দিই, অথচ এর পাতায় মূলোর চেয়ে বেশি পুষ্টি উপাদান থাকে। এটি হজমশক্তি বাড়ায় এবং গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এটি ক্লান্তি দূর করে এবং শরীরে শক্তি বজায় রাখে।
আরও পড়ুন : ৪০ বছর বয়সের পর মহিলাদের কেমন খাবার খাওয়া উচিত? জেনে নিন স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের টিপস
বেথো শাক বিশেষ করে শীতকালে পাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম থাকে। এটি কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো বলে মনে করা হয়। এটি পেটের কৃমি দূর করতে এবং ক্ষুধা বাড়াতে সহায়ক।
পালংশাককে শীতের ‘সুপারফুড’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি ভিটামিন এ, সি, কে এবং আয়রনের একটি চমৎকার উৎস। এটি শরীরে রক্তের পরিমাণ (হিমোগ্লোবিন) বাড়ায় এবং রক্তশূন্যতা দূর করে। এটি দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে সহায়ক।
