মমতার ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর ‘ওয়াপসি’ শিখা মিত্রের

3 Min Read
Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google

ওয়েব ডেস্ক: সব জল্পনার অবসান। তৃনমূলে যোগ দিলেন প্রয়াত কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্রের স্ত্রী শিখা মিত্র। রবিবার দুপুরের তৃণমূল সাংসদ মালা রায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে চৌরঙ্গীর তৃণমূল পার্টি অফিসে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন শিখা মিত্র। তাঁকে তৃণমূলের ‘বঙ্গ জননী বাহিনী’র গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে খবর। ৬ বছর পর শিখা মিত্রের তৃণমূলে যোগদান আসলে তাঁর শাসক দলে প্রত্যাবর্তনই। কারণ, ২০১১ সালেও তৃণমূলের টিকিটেই চৌরঙ্গী কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন সোমেন-জায়া। ২০১৪ সালে অবশ্য তৃণমূল ছাড়ার সময় বিধায়ক পদেও ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি।

মমতার ডাকে সাড়া দিয়ে ঘর ‘ওয়াপসি’ শিখা মিত্রর

এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে শিখা মিত্র বলেন, ‘জীবন দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কাজে তাঁকে সঙ্গ দিতে চাই। আমি কখনও কংগ্রেসে যোগ দিইনি। আমার স্বামী ওই দলের পদে ছিলেন ঠিকই, কিন্তু আমি কখনও কংগ্রেসে যোগ দিইনি। আমি কখনও তৃণমূল ছাড়িনি। সামান্য মনোমালিন্য হয়েছিল।’ স্বাভাবিক কারণেই শিখার এই দাবি শোরগোল ফেলেছে রাজ্য রাজনীতিতে।

তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কার মধ্যে রাজ্যে ফের বাড়ল বিধি-নিষেধ, সেপ্টেম্বরেও চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

এদিন দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে শিখাদেবী বলেন, ”মমতা নিজে ফোন করেছিল আমাকে। বলেছে দলে যোগদানের কথা। ওর খুব ইচ্ছে ছিল, আমি আবার দলে সক্রিয় হই। আমারও খুব আনন্দ হয়েছিল সেদিন। ওর ইচ্ছা পূরণ করতে আজ দলে আবার এলাম। আমি তো কখনও তৃণমূল ছাড়িইনি। দলে কাজ করতে করতে মতানৈক্য কিছু হতেই পারে। তার জন্য দল ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নই।” পাশাপাশি, তিনি বিজেপি বিরোধী বার্তাও দিয়েছেন। শিখা মিত্রর কথায়, ”একটা দল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট নিয়ে কেন্দ্রে সরকার গড়েছে। কিন্তু এই সরকার যদি থাকে, তাহলে দেশের পক্ষে খুব খারাপ, অন্ধকার দিন নেমে আসবে শিগগিরই।” 

শুধু পার্টি অফিসে বসে দল চলবে না যেতে হবে প্রান্তিক মানুষের কাছে, নির্দেশ CPIM এর

সোমেনপত্নী শিখাদেবীর পাশাপাশি পুত্র রোহনেরও তৃণমূলে যোগদান নিয়েও জল্পনা ছড়িয়েছিল। তবে কি করেন সেদিকে নজর বিধান-ভবনের। শিখা মিত্র কংগ্রেসের সদস্য না হলেও রোহন এখনও কংগ্রেসের (Congress) সদস্য। এমনকি, কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। তার চেয়েও বড় ব্যাপার, শনিবারই ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সোমেনপুত্র। অনুষ্ঠানে ছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তাই পরদিনই রোহন তৃণমূল শিবিরে নাম লেখাবেন না বলেই মনে করছে প্রদেশ নেতৃত্ব।

Stay connected via Google News
Follow us for the latest updates.
Add as preferred source on google
Share This Article