সারাদিন ইয়ারফোন ব্যবহার করলে সাবধান! অন্যথায় আপনার শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যাবে।

2 Min Read
সারাদিন ইয়ারফোন ব্যবহার করলে সাবধান! অন্যথায় আপনার শ্রবণশক্তি নষ্ট হয়ে যাবে।

আজকের ডিজিটাল যুগে, ইয়ারফোন(Earphones) সকলের জীবনযাত্রার একটি অংশ হয়ে উঠেছে। কর্মক্ষেত্রে হোক বা কলেজে। ভ্রমণের সময় বা ব্যায়াম করার সময়, মানুষ সারাদিন এগুলো ব্যবহার করে। কিন্তু আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন যে এটি আপনার শ্রবণশক্তি হ্রাস করতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, ইয়ারফোন সরাসরি কানে শব্দ সরবরাহ করে, যা কানের সংবেদনশীল স্নায়ুর উপর চাপ বাড়ায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে জোরে শব্দ শোনা উল্লেখযোগ্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। প্রাথমিকভাবে, এটি কেবল কম ভলিউমে অস্বস্তির কারণ হতে পারে, তবে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি নষ্ট হতে শুরু করে।

জোরে জোরে ইয়ারফোন ব্যবহার করা

আপনি প্রায়শই লোকেদের খুব জোরে শব্দ সহ নতুন ইয়ারফোন(Earphones) কিনতে দেখেছেন। এই ভেবে যে তাদের কেবল গান শোনা উচিত, বাইরের শব্দ নয়, এই ধরণের লোকেরা ভবিষ্যতে গুরুতর সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে।

সারাদিন ইয়ারফোন ব্যবহারের অসুবিধা

  • একনাগাড়ে ইয়ারফোন পরলে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • কানের মোমের মতো প্রাকৃতিক পরিষ্কার ব্যাহত হয়।
  • দীর্ঘক্ষণ ধরে উচ্চ ভলিউমে গান শুনলে শ্রবণশক্তি কমে যেতে পারে।

আরও পড়ুন : আপনার এই সাধারণ অভ্যাসগুলি চোখের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে, জেনে নিন..

আপনার শ্রবণশক্তি কীভাবে রক্ষা করবেন

  • সর্বদা ৬০% এর বেশি ভলিউম না দিয়ে গান বা ভিডিও শুনুন।
  • প্রতি ২ ঘন্টা অন্তর ইয়ারফোন খুলে কানকে কিছুটা বিশ্রাম দিন।
  • সংক্রমণ এড়াতে ইয়ারফোন এবং কান উভয়ই পরিষ্কার রাখুন।
  • এটি বাইরের শব্দ কমায়, যার ফলে কম শব্দে শোনা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন : ব্রেন টিউমার: শরীরে এই লক্ষণগুলি দেখলে সতর্ক থাকুন! এটি ব্রেন টিউমার হতে পারে

মানুষের কণ্ঠস্বর স্পষ্ট শোনা যায় না

  • উচ্চ ভলিউমে টিভি দেখা এবং তারপর কম করলে শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে
  • ইয়ারফোন আমাদের জীবনকে সহজ এবং উপভোগ্য করে তোলে কিন্তু এর অপব্যবহার আমাদের শ্রবণ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। সতর্কতা এবং সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে আমরা আমাদের শ্রবণশক্তি বজায় রাখতে পারি।

Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং পরামর্শগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের ভিত্তিতে লেখা, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শের বিকল্প নয়। এটি অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Share This Article
google-news