Table of Contents
লবণ কেবল খাবারের স্বাদ বাড়ায়। খাবারে লবণ না থাকলে খাবার সম্পূর্ণ রুক্ষ মনে হয়। লবণ কেবল স্বাদ বাড়ায় না, শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতিও দূর করে। আমাদের স্বাস্থ্য সুস্থ রাখার জন্য আমরা পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করি। আর পুষ্টিকর খাবারের তাগিদে, কখনও কখনও মানুষ অতিরিক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খায়। শরীর সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসকরা সুষম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। শুধু প্রোটিন বা জুসই নয়, শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত পুষ্টি উপাদান রয়েছে এমন খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় খাওয়া উচিত।
লবণ শরীরের জন্য অপরিহার্য
দৈনন্দিন খাদ্যতালিকা থেকে একটি জিনিসও বাদ দিলে সমস্যা দেখা দেয়। ১ মাস ধরে সাধারণ লবণ খাওয়া(Eating Salt) বন্ধ করলে অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। লবণ, যাকে সোডিয়াম ক্লোরাইড বলা হয়, শরীরকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে সাহায্য করে। ডাক্তাররা বলেন যে প্রত্যেকেরই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে লবণ খাওয়া উচিত। খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমনকি কম লবণ খাওয়ার ফলেও নিম্ন রক্তচাপের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কখনও কখনও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন এমন ব্যক্তিরা ভয়ে লবণ গ্রহণ কমাতে শুরু করেন। কিন্তু তা করা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী লবণ খাওয়া উচিত।
আরও পড়ুন : আতা ঔষধি গুণে ভরপুর, এটি শরীরে জমে থাকা একগুঁয়ে চর্বিও দ্রুত কমায়
লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চলা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
লবণে উপস্থিত সোডিয়াম শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রোলাইটগুলির মধ্যে একটি। লবণ না খেলে শরীরের জলের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে, যা জলশূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে। এটি জলের স্তরকে ভারসাম্যপূর্ণ করে এবং পেশীর কার্যকারিতায় সহায়তা করে। লবণ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে। এক মাস ধরে লবণ গ্রহণ এড়িয়ে চললে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। শরীরে লবণের অভাব মাথাব্যথা, দুর্বলতা, ক্লান্তি, পেশীতে খিঁচুনি এবং মাথা ঘোরার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে, এটি হাইপোনেট্রেমিয়া নামক একটি অবস্থারও কারণ হতে পারে, যেখানে রক্তে সোডিয়ামের মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায়। গুরুতর ক্ষেত্রে, এটি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে।
Disclaimer: এই নিবন্ধে উল্লিখিত পদ্ধতি এবং পরামর্শগুলি সাধারণ স্বাস্থ্য জ্ঞানের ভিত্তিতে লেখা, এটি অনুসরণ করার আগে একজন ডাক্তার বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
