সতর্কতা! এই ৬টি কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে, জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

2 Min Read
সতর্কতা! এই ৬টি কারণে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে, জেনে নিন চিকিৎসকের পরামর্শ

আজকাল হার্ট অ্যাটাক আর শুধু বার্ধক্যের সমস্যা নয়। আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একে অপরের সাথে সংযুক্ত এবং অন্যান্য শারীরিক ত্রুটিগুলো হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। ফোর্টিস এসকর্টস হার্ট ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে ব্লকেজ কোনো আকস্মিক প্রক্রিয়া নয়, বরং দীর্ঘদিনের অবহেলার ফল।

চিকিৎসকরা হার্ট অ্যাটাকের জন্য নিম্নলিখিত প্রধান কারণগুলোকে দায়ী করেছেন:

১. উচ্চ কোলেস্টেরল:

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে শিরায় প্লাক অর্থাৎ বর্জ্য জমা হয়। এই ব্লকেজের কারণে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত​হৃদপিণ্ডে পৌঁছাতে পারে না, যা হার্ট অ্যাটাকের সবচেয়ে বড় কারণ।

২. অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ (বিপি)

উচ্চ রক্তচাপের কারণে রক্তপ্রবাহ ধমনীর উপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে। এই চাপ সময়ের সাথে সাথে হৃদপিণ্ডের পেশীকে দুর্বল করে এবং হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বাড়ায়।

৩. ডায়াবেটিস এবং ওজন

রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে তা শিরার ভেতরের দেয়ালের ক্ষতি করে। একইভাবে, অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতার কারণে শিরায় ফোলাভাব দেখা দেয়, যা রক্ত​সঞ্চালনে বাধা সৃষ্টি করে।

আরও পড়ুন : অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার কেন একটি বড় হুমকি হতে পারে? এটি কীভাবে ব্যবহার করবেন?

৪. মানসিক স্বাস্থ্য (মানসিক চাপ এবং রাগ)

আধুনিক জীবনযাত্রায় ক্রমাগত মানসিক চাপ এবং অতিরিক্ত রাগের কারণে রক্তচাপ হঠাৎ বেড়ে যায়। মানসিক চাপ অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের কারণ হতে পারে।

৫. বংশগত কারণ (পারিবারিক ইতিহাস)

পরিবারের কারো যদি হৃদরোগের ইতিহাস থাকে, তবে এই ঝুঁকি বংশগতভাবেও বেড়ে যায়। এমন ব্যক্তিদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো অপরিহার্য।

হার্ট অ্যাটাক এড়াতে শুধু হৃদপিণ্ড নয়, পুরো শরীরের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। কোলেস্টেরল, সুগার এবং রক্তচাপের নিয়মিত পরীক্ষা এবং চাপমুক্ত জীবনযাপন আপনার হৃদপিণ্ডকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।

Disclaimer: এই নিবন্ধটি শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে, কোন পেশাদার চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়।

Share This Article
google-news